দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। নির্বাচনী প্রচারেও নিজের এলাকা বিধাননগর ও নির্বাচনী কেন্দ্র বারাসাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি মেয়র সব্যসাচী দত্তকে। এমনকী বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় তিনি পৌঁছনর আগে সব্যসাচীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভও হয়। কিন্তু সভামঞ্চ ছাড়ার আগে সব্যসাচীকে পাশে নিয়েই দলের সকলকে একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের প্রচারে মমতার সভায় হাজির হয়েছিলেন সব্যসাচী। তখন বক্তৃতা করছিলেন মন্ত্রী তাপস রায়। দলনেত্রী পৌঁছনর আগে কর্মী-সমর্থকদের একাংশ মঞ্চে তাঁর উপস্থিতিতে আপত্তি জানিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। মঞ্চে বসা সব্যসাচীকে নিয়ে এই আপত্তি এতটাই জোরালো হয় যে বক্তৃতা থামিয়ে দেন তাপস। মাইক হাতে সব্যসাচী তাঁদের বারবার বসতে বলেন। মন্ত্রী সুজিত বসুর চেষ্টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সব্যসাচীকে নিয়ে তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ নতুন নয়। দলের একাংশের মতে, সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এদিন বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি।
দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯
সভায় বিধাননগর কর্পোরেশনের কাজকর্মের জোর দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘বিধাননগর এলাকার রাস্তাঘাটগুলি একটু ভাল করতে হবে। দেখতে হবে। কাউন্সিলরদের বলছি, কলকাতার দিকে নজর রেখে কাজ করতে হবে।’’
এদিন সভামঞ্চ ছাড়ার আগে সব্যসাচী প্রণামও করেন তাঁকে। তখনই মমতা সকলকে মিলেমিশে কাজ করতে বলেন।