রঙ দিয়েই শেষতক গেল চেনা, সেই সঙ্গে আঁচ পাওয়া আঞ্চলিক নেতাদের ক্ষমতার!
শনিবার বহরমপুর ওয়াইএমএ ময়দানে তৃণমূলের নির্বাচনী জনসভা আক্ষরিক অর্থেই নানা রঙের টুপি ও ব্যাজে রঙিন হয়ে উঠল। আর এই টুপির প্রতিযোগিতায় নবগ্রামের দলীয় তেরঙার ১৫ হাজার টুপি হারিয়ে দিল খোদ জেলা সভাপতি সুব্রত সাহার সাগরদিঘির ১১ হাজার নীল টুপিকে। বহরমপুর শহরের সাদা রঙের তিন হাজার টুপি ও অনেক পিছিয়ে।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করা যাক। রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী তথা দলীয় পর্য়বেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী প্রতিটি ব্লকের নেতাদের নানা রঙের টুপিতে সভায় আসতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যাতে কোন ব্লক থেকে কত জন এসেছেন তার আঁচ পাওয়া যায়। সংখ্যা যাচাই করে নেতারা তাঁর এলাকায় একটা প্রতিপত্তির হিসেব দেওয়ারও সুযোগ পেতেন তাতে।
দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯
শুভেন্দুর সেই নির্দেশ মেনেই এ দিনের সভায় দলে দলে বিভিন্ন রঙের টুপি ও ব্যাজ পড়ে সভায় এসেছিলেন কর্মীরা। বিভিন্ন রঙের টুপিতে দলের লোগো-সহ ব্লকের নাম লেখা টুপি ও দলীয় কর্মীদের মধ্যে বিলিও করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নজরে পড়ার আশঙ্কায় শেষ মুহুর্তে ব্লকের নাম লেখা টুপি পড়ে আসতে নিষেধ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বহরমপুরের দলীয় প্রার্থী অপূর্ব সরকার বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের গাড়িতে ফেস্টুন টাঙিয়ে ও ব্লকের নাম লেখা টুপি পড়ে আসতে নিষেধ করেছিলেন। সেই নির্দেশ মেনে বহরমপুর শহর কমিটির সভাপতি নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মাত্র তিন হাজার কর্মী সাদা টুপি পরে সভায় এসেছিলেন। তবে নানা রঙের ব্যাজ পরে বিভিন্ন ব্লকের কর্মীদের রনপায় চেপে সভায় আসতে দেখা গিয়েছে। নবগ্রাম থেকে ১৫ হাজার তেরঙ্গা টুপি পরে সভায় এসেছেন। ওই ব্লকের নারায়ণপুর অঞ্চলের আদিবাসী মহিলারা ধামসা মাদলের তালে তালে নাচতে নাচতে সভায় এসেছেন। নবগ্রামের ব্লক সভাপতি এনায়েতুল্লাহ দাবি করেন ,তাঁদের রঙিন টুপি সহ মিছিল এসেছেন হাজার হাজার মানুষ।শিকে ছিঁড়েছে ছাত্রাবস্থা থেকে কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।