Advertisement
E-Paper

TMC-BJP: ‘আক্রান্ত’ বিজেপি, উদ্ধার বোমা

পশ্চিমবাড় গ্রাম বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। বিধানসভা ভোটের প্রেক্ষিতে পশ্চিমবাড়ে দুটি বুথে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২১ ০৬:৪৯
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

বিজেপি সমর্থকদের দোকানে বোমাবাজি ও ভাঙচুর এবং পার্টি অফিসে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ গিয়ে আটক বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে ভগবানপুর পশ্চিমবাড় এলাকার এই ঘটনায় রাত পর্যন্ত থানায় অভিযোগ হয়নি। ভগবানপুর থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি বোমা উদ্ধার হয়েছে।

মহম্মদপুর-১ অঞ্চলের পশ্চিমবাড় গ্রাম বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। বিধানসভা ভোটের প্রেক্ষিতে পশ্চিমবাড়ে দুটি বুথে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। লোকসভা ভোটে এলাকায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। এবার বিধানসভা ভোটের পরে ফের এলাকা উত্তপ্ত হওয়ার পিছনে রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরার পর তৃণমূলের বদলার রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে। এদিনের ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

অভিযোগ, সকালে পশ্চিমবাড় মোড়ে কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বিজেপি সমর্থকদের দোকান জোর জবরদস্তি বন্ধ করে দেয়। বাধা দিলে দোকানে বোমা মারা হয়। ছ'জন বিজেপি কর্মীকে কাঁটাখালি বাজারে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। গোলমালের খবর পেয়ে ভগবানপুর থানার পুলিশ গিয়ে আটক ওই বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি তাজা বোমাও উদ্ধার করে্ছে পুলিশ। অশান্তি এড়াতে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজেপির ভগবানপুর-১ পূর্ব মণ্ডল সভাপতি রমেশ মাইতি বলেন, ‘‘বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জোর করে দোকান বন্ধ করছিল। বাধা দিলে দোকানে লুটপাট ও বোমাবাজি করে। আমাদের ছ'জন কর্মীকে পার্টি অফিসে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে। পুলিশের কাছে অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।’’

ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দাস দাবি করেছেন, ‘‘ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে ওরা তৃণমূলের উপরে দায় চাপাচ্ছে।’’

‘আক্রান্ত’ বিজেপি, উদ্ধার বোমা

নিজস্ব সংবাদদাতা

ভগবানপুর: বিজেপি সমর্থকদের দোকানে বোমাবাজি ও ভাঙচুর এবং পার্টি অফিসে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ গিয়ে আটক বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে ভগবানপুর পশ্চিমবাড় এলাকার এই ঘটনায় রাত পর্যন্ত থানায় অভিযোগ হয়নি। ভগবানপুর থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি বোমা উদ্ধার হয়েছে।

মহম্মদপুর-১ অঞ্চলের পশ্চিমবাড় গ্রাম বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। বিধানসভা ভোটের প্রেক্ষিতে পশ্চিমবাড়ে দুটি বুথে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। লোকসভা ভোটে এলাকায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। এবার বিধানসভা ভোটের পরে ফের এলাকা উত্তপ্ত হওয়ার পিছনে রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরার পর তৃণমূলের বদলার রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে। এদিনের ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

অভিযোগ, সকালে পশ্চিমবাড় মোড়ে কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বিজেপি সমর্থকদের দোকান জোর জবরদস্তি বন্ধ করে দেয়। বাধা দিলে দোকানে বোমা মারা হয়। ছ'জন বিজেপি কর্মীকে কাঁটাখালি বাজারে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। গোলমালের খবর পেয়ে ভগবানপুর থানার পুলিশ গিয়ে আটক ওই বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি তাজা বোমাও উদ্ধার করে্ছে পুলিশ। অশান্তি এড়াতে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজেপির ভগবানপুর-১ পূর্ব মণ্ডল সভাপতি রমেশ মাইতি বলেন, ‘‘বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জোর করে দোকান বন্ধ করছিল। বাধা দিলে দোকানে লুটপাট ও বোমাবাজি করে। আমাদের ছ'জন কর্মীকে পার্টি অফিসে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে। পুলিশের কাছে অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।’’

ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দাস দাবি করেছেন, ‘‘ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে ওরা তৃণমূলের উপরে দায় চাপাচ্ছে।’’

BJP TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy