Advertisement
E-Paper

বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা একশো ছুঁইছুঁই। আক্রান্ত বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরেও।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ জন। এদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে সুস্থ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ অগস্ট ২০১৬ ০০:৫২
তমলুক হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে জমে জল।

তমলুক হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে জমে জল।

পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা একশো ছুঁইছুঁই। আক্রান্ত বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরেও।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ জন। এদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে সুস্থ। জেলার বেশ কয়েকটি নতুন এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জেলা হাসাপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২৩ জনের রক্তে ডেঙ্গির জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। বর্তমানে ১০ জন ডেঙ্গি রোগী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এদের মধ্যে কারও কারও ডেঙ্গি হতে পারে। এতে উদ্বেগের কিছু নেই।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত কিনা তা জানার জন্য জেলা হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’

গত ৩ অগস্ট তমলুকে জেলা হাসপাতালে খোলা হয়েছে ডেঙ্গি রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড। গত দু’সপ্তাহে ওই ওয়ার্ডে জ্বরে আক্রান্ত ৭০ জন ভর্তি হয়েছেন।

আইসোলেশন ওয়ার্ডের পিছনে জঙ্গল।

যদিও রক্তে ডেঙ্গির জীবাণু রয়েছে কিনা, তা জানতে ভরসা করতে হয় জেলা হাসপাতালের উপর। জেলার মধ্যে একমাত্র তমলুকে ডেঙ্গির এলাইজা টেস্ট হয়। কাঁথি, এগরা ও হলদিয়া মহকুমার বাসিন্দাদের ওই পরীক্ষার জন্য তমলুকে আসতে হচ্ছে। জেলার অন্য হাসপাতালে কেন এলাইজা টেস্টের ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না? সিএমওএইচ নিতাইচন্দ্রবাবু বলেন, ‘‘তমলুকের জেলা হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।’’

জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের প্রথমে মূলত খেজুরি, নন্দকুমার ও মহিষাদল ব্লক এলাকাতেই ডেঙ্গির প্রকোপ সীমাবদ্ধ ছিল। গত কয়েকদিনে কোলাঘাট, তমলুক, মারিশদা এলাকার কয়েকজন ডেঙ্গি আক্রান্ত জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কথা স্বীকার করছেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম দাস। তিনি বলেন, ‘‘জেলার নতুন কিছু এলাকায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy