Advertisement
E-Paper

ভেলোর ফেরত চার রোগী ভর্তি মেডিক্যালে

দক্ষিণ ভারত ফেরত সব রোগী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা পরিজনেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছে। করোনা পরীক্ষাও হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৪৮
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ভেলোর ফেরত চার রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁদের মেডিসিন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে বলে হাসপাতালের এক সূত্রে খবর। শুরুতে এই রোগীদের খড়্গপুর আইআইটি হাসপাতালে নিভৃতবাসে (কোয়রান্টিন) রাখা হয়েছিল। সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে। পরে শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে ওই চারজনকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়।

শুক্রবার রাতেই এঁদের খড়্গপুর থেকে মেদিনীপুরে আনা হয়। ওই রোগীদের মধ্যে রয়েছেন পরিমল সরকার, রঞ্জিত শিকদার প্রমুখ। পরিমল মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। রঞ্জিত দুর্গাপুরের বাসিন্দা। ওই রোগীর পরিজনেরাও মেদিনীপুর মেডিক্যালে রয়েছেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরা মানছেন, ‘‘শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওঁরা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।’’ রোগী এবং তাঁদের পরিজনেরা বাড়ি ফিরতে চান। শনিবার জেলা প্রশাসন, এমনকি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছেও তাঁরা এই আর্জি জানিয়েছেন।

দক্ষিণ ভারত ফেরত সব রোগী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা পরিজনেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছে। করোনা পরীক্ষাও হবে। প্রশাসনের এক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে দক্ষিণ ভারত থেকে রোগী এবং রোগীর পরিজন মিলিয়ে ১৪৬ জন পশ্চিম মেদিনীপুরে এসেছেন। দাঁতনের সীমানা পেরিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সেই এঁরা এসেছেন। সকলকে শুরুতে খড়্গপুর আইআইটির হাসপাতালে নিভৃতবাসে রাখা হয়েছিল। সূত্রের খবর, দক্ষিণ ভারত ফেরত অনেকে এখনও দাঁতনে আটকে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রের অবশ্য দাবি, সব দিক দেখে গুরুতর অসুস্থদের একে একে ছাড়া হচ্ছে। কাউকেই সরাসরি বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

ওই ১৪৬ জনের মধ্যে ৯ জনকে শুক্রবার রাতে খড়্গপুর আইআইটির হাসপাতাল থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে আনা হয়। এর মধ্যে ৪ জন রোগী এবং বাকি ৫ জন রোগীর পরিজন। কেন ওই ৪জনকে ভর্তি করা হয়েছে? মেডিক্যালের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ভেলোর ফেরত ওই চারজনের অসুস্থতা রয়েছে। যে কোনও সময়ে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। সব দিক দেখেই এঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’’ ভর্তি রোগীর এক পরিজন বলেন, ‘‘অনেক দিন ভেলোরে ছিলাম। সেখান থেকে চিকিৎসা করিয়ে ফিরছি। সঙ্গে অনেক মালপত্র রয়েছে। মালপত্র নিয়ে এখানে থাকাটা অসহনীয় হয়ে উঠছে। আমাদের নিজের জেলায় ফেরার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। চিকিৎসার যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সেখানেই সেই ব্যবস্থা করব। নিজের জেলায় ফেরার খরচও আমরা বহন করতে রাজি রয়েছি।’’ মেডিক্যালের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ওই রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখনই ওঁদের হাসপাতাল থেকে ছাড়া নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতো পদক্ষেপ করা হবে।’’

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy