আগে তিনটি পার্কের জন্য টাকা পেয়েছিল মেদিনীপুর পুরসভা। এ বার আরও দু’টি পার্ক তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ হল আমরুট প্রকল্পে। টাকার অঙ্কও বেড়েছে। আগে তিনটি পার্কের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিল সরকার। এ বার দু’টি পার্কের জন্য মিলেছে ৪০ লক্ষ টাকা। পুরপ্রধান প্রণব বসু জানিয়েছেন, “কাঁসাইয়ের তীরে গাঁধী ঘাট ও আমতলার ঘাট সাজানো হবে এই টাকায়।”
কিন্তু বরাদ্দ টাকায় ঘাট সাজিয়ে কি পার্ক তৈরি করা সম্ভব? পূর্ব অভিজ্ঞতা বলছে, আগে তা করা যায়নি। আগের তিনটির মধ্যে পার্ক বলতে যা বোঝায়, তা হয়েছে শুধু ২ নম্বর ওয়ার্ডের আশুতোষনগরে। সেখানে ছোট পরিসরে পার্ক তৈরি করতেই অন্য খাত থেকে টাকা দিতে হয়েছিল। বাকি দু’টি-র ক্ষেত্রে কী ভাবে টাকা খরচ হয়েছে? শরত্পল্লির মাঠে আলো লাগানো হয়েছে। মাঠেই দু’-একটি দোলনা ও বসার জায়গা করা হয়েছে আর রং করা হয়েছে। আর পোল্ট্রি পুকুর পাড়টি একটু পরিষ্কার করে চারদিক ঘেরা হয়েছে। তাকে পুরোদস্তুর পার্ক করে তুলতে অন্য খাত থেকে টাকা প্রয়োজন। পুরপ্রধানও বলছেন, “১০ লক্ষ টাকায় কি পার্ক হয়! তা-ই যেটুকু সম্ভব করা হচ্ছে।”
এ বার বরাদ্দ টাকায় ঠিক কী কী করা হবে? পুরপ্রধান জানান, গাঁধী ঘাটটি বাঁধিয়ে আলো দেওয়া হবে, বানানো হবে শৌচাগার। তারপর টাকা বাঁচলে একটু বাগান তৈরি করা হবে। না হলে অন্য খাতের টাকা থেকে পরবর্তীকালে বাগান বানানো হবে। আমতলার ঘাটও বাঁধিয়ে, আলো বসিয়ে চারদিকে গাছ লাগানো হবে। আমতলা ঘাটে অবশ্য কিছুদিন হল একটি প্রতীক্ষালয় বানিয়েছে জেলা পরিষদ। তার সঙ্গে ঘাট বাঁধিয়ে, বাগান তৈরি করা হলে পরিবেশ মনোরম হবে বলেই সকলের আশা।