Advertisement
E-Paper

Nayachar Costal PS: মীনদ্বীপে ঢেলে সাজছে থানা, স্পিড বোটে টহল

গোটা মীনদ্বীপ তথা নয়াচরে আইনশৃঙ্খলার কোনও সমস্যা বা অন্য কোনও গোলমাল হলে এটাই পরিকাঠামো প্রশাসনের।

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ০৭:৪২
নয়াচর কোস্টাল থানা।

নয়াচর কোস্টাল থানা। ছবি: আরিফ ইকবাল খান।

ভাঙাচোরা জেটি থেকে হেঁটে একশো মিটার গেলেই কয়েক বছর আগে তৈরি হওয়া দোতলা বাড়ি। এটিই নয়াচর কোস্টাল থানা। পাশেই বেনফিশের বাম আমলের জীর্ণ ‘মীন ভবন’। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ফ্লাড সেন্টার হিসেবে ব্যবহারের তুলনায় কিছুটা উঁচু জায়গায় তৈরি এই থানা। থানায় লোকবল বলতে একজন এএসআই ও দু’জন কনস্টেবল। বিদ্যুতের সমস্যাও রয়েছে। গোটা মীনদ্বীপ তথা নয়াচরে আইনশৃঙ্খলার কোনও সমস্যা বা অন্য কোনও গোলমাল হলে এটাই পরিকাঠামো প্রশাসনের।

প্রায় ১৮-১৯ দীর্ঘ নয়াচরে প্রশাসনিক পরিকাঠামো বলতে এই থানাটুকুই বলা যায়। দূরত্বের কারণে এবং যাতায়াত ব্যবস্থার সমস্যায় জেলা প্রশাসনের কাছে কার্যত অবেহিলতই এই দ্বীপ ও দ্বীপে বাস করা মানুষজন। সম্প্রতি নয়াচরকে হলদিয়া পুরসভার অন্তভুর্ক্ত করার ক্ষেত্রে দাবি তুলেছেন পুরপ্রশাসন। তার সূত্রে ধরে স্বাভাবিক ভাবেই উঠে এসেছে এই দ্বীপভূমির বিভিন্ন পরিকাঠামোর বিষয়। দিন কয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে নয়াচর পরিদর্শনে যান রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবের সাথে। নয়াচর থানাও ঘুরে দেখেন তাঁরা। পুলিশ সুপার জানান, নয়াচরের থানায় সবচেয়ে বড় সমস্যা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। দ্বীপের থানায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে এক সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর সাথে থানায় বাড়ানো হবে লোকবল। রাস্তা না থাকায় দ্বীপের একটা বড় অংশে যাতায়াত করা দুঃসাধ্য। সে ক্ষেত্রে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে পৌঁছতে পুলিশকে নাকাল হতে হয়। তাই দ্বীপের দেখভালের জন্যই থানার শক্তি বাড়ানো দরকার। আর সেজন্য এ বার টহলদারির জন্য ইন্টারসেপ্টার বোট-এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

স্থানীয় মৎস্য সমবায়ের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা জানান, বিরাট দ্বীপে পুলিশ অনেকটা অংশেই যেতে পারে না। ফলে নদীপথে দুষ্কৃতীরা এসে গণ্ডগোল করে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পারে। তাই পুলিশি পরিকাঠামো বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তাঁরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, গোটা দ্বীপ এলাকার সর্বত্র হেঁটে বা গাড়িতে যাতায়াত সম্ভব নয় বলেই নজরদারির জন্য ইন্টার সেপ্টার বোট-এর ব্যবস্থা হচ্ছে। এতে জলপথে গিয়ে সমস্যা মোকাবিলা করা সুবিধা হবে। দ্বীপে আইনশৃঙ্খলা সুষ্ঠুভাবে রক্ষায় এমন উদ্যোগের পাশাপাশ সরকারি স্তরে ফিশিং হাব থেকে শুরু করে ইকো ট্যুরিজম বিষয়ে প্রকল্প হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দ্বীপের বাসিন্দাদের দাবি, প্রাশাসনের নজরদারির অভাবে অনেক বহিরাগত দ্বীপে আসা যাওয়া করে। যার জেরে মাঝামধ্যে গোলমালও বাধে। প্রশাসনের নজরদারি থাকলে এই ধরনের উপদ্রব এড়ানো যাবে। তাঁরাও নিরাপত্তা নিয়ে অনেকটা নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy