Advertisement
E-Paper

অতিথিশালায় আম খেতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত দাঁতাল! তিন জনের বিরুদ্ধে রুজু মামলা

লোধাশুলি রেঞ্জের শালবনি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে হাতির যাতায়াত রয়েছে। রামলাল নামের রেসিডেন্সিয়াল হাতিটি এই শালবনি এলাকায় বছরের বেশির ভাগ সময় থাকে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ২০:১০
শালবনিতে মৃত হাতি।

শালবনিতে মৃত হাতি। — নিজস্ব চিত্র।

ঝাড়গ্রামের গড় শালবনিতে অতিথিশালার আমবাগানে আম খেতে গিয়ে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল একটি দাঁতাল (টাস্কার) হাতির। মৃত হাতির দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঝাড়গ্রাম বন দফতর তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। বিদ্যুতের শক খেয়ে ওই হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান বন

মঙ্গলবার সকালে ঝাড়গ্রাম ব্লকের শালবনি গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবনি এলাকার একটি বেসরকারি অতিথিশালায় পূর্ণবয়স্ক একটি পুরুষ হাতির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় ঝাড়গ্রাম বন বিভাগের লোধাশুলি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার-সহ বনদফতরের কর্মীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ, গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক রাজেশ মাহাতো এবং ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ।

লোধাশুলি রেঞ্জের শালবনি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে হাতির যাতায়াত রয়েছে। রামলাল নামের রেসিডেন্সিয়াল হাতিটি এই শালবনি এলাকায় বছরের বেশির ভাগ সময় থাকে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগেই পাঁচটি হাতির একটি দল এই শালবনি এলাকায় ঢুকে পড়ে। মৃত হাতিটি ওই দলেরই বলে অনুমান বন দফতরের।

ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর বলেন,‘‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেছি। ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সের একটি পুরুষ হাতির মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। ময়নাতদন্তের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’’ তিনি বলেন, ‘‘প্রাথমিক অনুমান বিদ্যুতের শক খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই হাতিটির। ওই গেস্ট হাউসের মালিক ও দু’জন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, তবে বেশ কিছু বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে। হাতির শুঁড়, গলার তিন জায়গায় ইলেকট্রিক শকের দাগ পাওয়া গিয়েছে।’’

ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘‘কী ভাবে পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যু হল, তা বন দফতরকে সঠিক ভাবে তদন্ত করতে হবে। ইলেকট্রিক শকের ঘটনা ঘটে থাকলে বন দফতর যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। বন্যপ্রাণকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy