প্রসূতির চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে ভাঙচুর চলল সরকারি হাসপাতালে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। রবিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ২৭ জানুয়ারি খড়্গপুর শহরের এক প্রসূতিকে মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করায় পরিবার। সি-সেকশন বা সিজ়ারিয়ান ডেলিভারি করেন চিকিৎসকেরা। প্রসবের পর সন্তান সুস্থ রয়েছে। তবে মায়ের শরীরে ঘা দেখা যায়। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের ভুলে সেলাইয়ের পরে ‘ইনফেকশন’ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই ভুল স্বীকার করেননি চিকিৎসক। এমনকি, এ নিয়ে প্রসূতি বা পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলেননি তিনি। আবার অন্য কোনও হাসপাতালে ‘রেফার’ করার পরামর্শও দেননি।
ওই নিয়ে রবিবার বিকেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয় প্রসূতির পরিবার। তাদের জানানো হয়, একটি ‘ছোট সমস্যা’ হয়েছে। চিকিৎসকেরা বিষয়টি দেখছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আলোচনার পরেও বিকেল ৫টা নাগাদ হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় ওই পরিবার। ওয়ার্ড মাস্টারের অফিসঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
খড়্গপুর টাউন থানার পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দফতর, মহকুমাশাসকের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত আটক বা গ্রেফতারির কোনও খবর মেলেনি।