Advertisement
E-Paper

বিজেপি কর্মীদের মারধর, লুটপাটে অভিযুক্ত তৃণমূল

রবিবার রাতে বাকচার চাঁদিবেনিয়া গ্রামে বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের দোকানে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪০
প্রতীকী চিত্র

প্রতীকী চিত্র

তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে গোলমালে ফের উত্তপ্ত বাকচা।

রবিবার রাতে বাকচার চাঁদিবেনিয়া গ্রামে বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের দোকানে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও দু’জন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে তারা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারধর করে বলে অভিযোগ। হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ পেয়ে রাতেই ময়না থানার পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, চাঁদিবেনিয়া গ্রামের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য সুষমা মণ্ডল ও তাঁর স্বামী উত্তম মণ্ডল বেশ কিছুদিন ধরে ঘরছাড়া ছিলেন । কয়েকদিন আগে তাঁরা বাড়ি ফেরেন। বাড়ির কিছু দূরে চাঁদিবেনিয়া বাজারে উত্তমের মুদি-স্টেশনারি দোকান রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বাড়ি ফেরার পর থেকেই তৃণমূলের লোকজন পঞ্চায়েত সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করতে সুষমা ও উত্তমকে হুমকি দিচ্ছিল। হুমকির জেরে তাঁরা দু’জনেই ফের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এরপরেই রবিবার রাতে তৃণমূলের ১৫-২০ জনের একটি দল তাঁদের দোকানে লুটপাঠ এবং দু’জন বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ওই দিন রাত ৯ টা নাগাদ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা প্রথমে বিজেপি কর্মী পূর্ণ সাউয়ের বাড়িতে হামলা চালায়। পূর্ণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুর করে। সেখান থেকে বেরিয়ে কিছুটা দূরে বিজেপির বুথ সভাপতি উদয় দাসের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার আঁচ পেয়ে আগেই উদয় বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। বিজেপির অভিযোগ, উদয়ের বাড়ির দরজা ভেঙে তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেছে তৃণমূলের লোকজন।

বিজেপির জেলা (তমলুক) সহ-সভাপতি আশিস মণ্ডলের অভিযোগ, ‘‘চাঁদিবেনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামী তৃণমূলের ভয়ে বেশ কিছুদিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁরা বাড়ি ফেরার পর পদত্যাগ করতে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁর দোকানে লুটপাট এবং অন্য দুই বিজেপি কর্মীকে মারধর ও বাড়ি ভাঙচুর করে শাসক দলের লোকজন।’’ তাঁর দাবি, ‘‘রাতে ঘটনার সময় পুলিশকে অভিযোগ জানানোর অনেক পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্তদের ধরতে পদক্ষেপ করেনি।’’

ময়নার ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুব্রত মালাকার বলেন, ‘‘বিজেপির ওই কর্মীরা গ্রামের অনেকের একশো দিনের জবকার্ড নিয়ে আটকে রেখে দিয়েছিল। তাঁরা জবকার্ড ফেরত চাইতেই ওই দুই বিজেপির কর্মীর বাড়িতে গিয়েছিল। এনিয়ে বচসা হয়েছিল। বিজেপি কর্মীদের মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঠিক নয়।’’

TMC BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy