Advertisement
২৮ জানুয়ারি ২০২৩
গোপীবল্লভপুর

বেআইনি অস্ত্র মজুত, ধৃত তৃণমূল কর্মাধ্যক্ষ

বেআইনি অস্ত্র মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতি। বুধবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলিয়াবেড়া থানার কুলিয়ানা গ্রামের বাড়ি থেকে শক্তিপদ বারিক নামে ওই নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এলাকায় ‘বালক’ নামেই তিনি পরিচিত। বালকবাবু গোপীবল্লভপুর-২ ব্লকের কুলিয়ানা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি।

আদালত চত্বরে শক্তিপদ বারিক। নিজস্ব চিত্র।

আদালত চত্বরে শক্তিপদ বারিক। নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
ঝাড়গ্রাম শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০১৬ ২৩:২৫
Share: Save:

বেআইনি অস্ত্র মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতি। বুধবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলিয়াবেড়া থানার কুলিয়ানা গ্রামের বাড়ি থেকে শক্তিপদ বারিক নামে ওই নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এলাকায় ‘বালক’ নামেই তিনি পরিচিত। বালকবাবু গোপীবল্লভপুর-২ ব্লকের কুলিয়ানা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। তিনি আবার গোপীবল্লভপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষও।

Advertisement

পুলিশ সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার রাতে বালিয়া গ্রামের এক পান দোকানের মালিক পশুপতি ঘোষের মোটর বাইক ভাঙচুর করেন বালক ও তাঁর দলবল। পশুপতিবাবুকে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাঁর পান দোকানটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বুধবার বেলিয়াবেড়া থানায় বালক ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন পশুপতিবাবু। তার ভিত্তিতে পুলিশ বালককে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার বালককে ঝাড়গ্রাম দ্বিতীয় এসিজেএম আদালতে তোলা হলে অস্ত্র উদ্ধারের স্বার্থে অভিযুক্তকে হেফাজতে চায় পুলিশ। বালককে চারদিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সত্যজিৎ সিংহ আদালতে দাবি করেন, “আমার মক্কেলকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি ক্রিমিনাল নন। তিনি মানুষের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।”

স্থানীয় সূত্রের খবর, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব জেরে বালকবাবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বালকবাবু হলেন গোপীবল্লভপুর-২ ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি স্বপন পাত্র-র অনুগামী। অন্যদিকে, স্বপনবাবুর সঙ্গে বর্তমান ব্লক সভাপতি কালীপদ শূরের তীব্র রেষারেষি রয়েছে। বালকবাবুর অনুগামীদের অভিযোগ, ওই পান দোকানটিতে বেআইনি মদ বিক্রি হয়। মঙ্গলবার রাতে মদ খেয়ে কালিপদবাবুর অনুগামীরা বালকের নামে গালিগালাজ করেন। তা নিয়েই বচসা-হাতাহাতি। কালিপদবাবুর অনুগামীরাই দোকানটি পুড়িয়ে দেয়।

তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কালিপদবাবুর বক্তব্য, “বিষয়টি আমি জানি না। কেউ অন্যায় করলে আইন আইনের পথে চলবে।” প্রাক্তন ব্লক সভাপতি স্বপনবাবু বলেন, “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মিথ্যা অভিযোগে মামলা রুজু করে বালককে গ্রেফতার করা হয়েছে।” ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি চূড়ামণি মাহাতো বলেন, “নেত্রীর নির্দেশ, আছে, দলের কেউ দোষ করলে, মেনে নেওয়া যাবে না।’’

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.