Advertisement
E-Paper

এ বার ভাঙছে জেলা পরিষদও

ক’দিন আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর ভেঙে তৈরি হয়েছে নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা। এ বার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ভেঙে নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ তৈরির প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০১৭ ০২:১১

ক’দিন আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর ভেঙে তৈরি হয়েছে নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা। এ বার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ভেঙে নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ তৈরির প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হল।

জেলা প্রশাসনের এক সূত্রে খবর, এ নিয়ে রাজ্যের চিঠি এসে। সেই চিঠিতে নতুন জেলা পরিষদের সদস্যদের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। কোন সদস্য, কোন এলাকা থেকে নির্বাচিত, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই চিঠির প্রেক্ষিতে দু’টি তালিকা তৈরি হচ্ছে। একটি তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলা পরিষদ সদস্যদের নাম থাকছে। আরেকটি তালিকায় ঝাড়গ্রাম জেলার জেলা পরিষদ সদস্যদের নাম থাকছে। দু’টি তালিকা রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের এক কর্তা মানছেন, “রাজ্যের ওই চিঠি পেয়েছি। জেলা পরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা তৈরি হচ্ছে।”

এই মুহূর্তে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৬৭। এর মধ্যে ঝাড়গ্রাম থেকে নির্বাচিত ১৬জন। আর পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে নির্বাচিত ৫১জন। ঝাড়গ্রাম থেকে নির্বাচিত শোভনা সিংহ নামে এক জেলা পরিষদ সদস্যের আবার মৃত্যু হয়েছে। ফলে, ঝাড়গ্রাম জেলা থেকে নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য রয়েছেন ১৫জন। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই ১৫জনকে নিয়েই তৈরি হবে নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ। আর ৫১জন সদস্য নিয়ে পুনর্বিন্যাস হবে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের। দু’টি জেলা পরিষদেরই মেয়াদ থাকবে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত।

দু’টি জেলা পরিষদ আলাদা হওয়ার পরে নতুন করে সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতিও বাছা হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা ঐক্যমতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে একাধিক নামের প্রস্তাব এলে ভোটাভুটিও হতে পারে। পরে স্থায়ী সমিতির সদস্য নির্বাচন হবে। স্থায়ী সমিতির সদস্যরা কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচন করবেন। জেলা পরিষদে ১০টি স্থায়ী সমিতি থাকে। এখন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি রয়েছেন সমায় মাণ্ডি। সমায়বাবু বর্তমান ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল থেকে নির্বাচিত। তৃণমূলের এক সূত্রের খবর, নতুন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি হতে পারেন সমায়বাবুই। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ বলেন, “নতুন জেলা পরিষদ হলে ঝাড়গ্রামের উন্নয়নের কাজে আরও গতি আসবে।”

জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, শীঘ্রই জেলা পরিষদ ভাগ সংক্রান্ত নোটিস জারি করবে রাজ্য। তারপরই নতুন জেলা পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। দুই জেলায় নতুন জেলা পরিষদ গঠনের জন্য একজন করে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করা হবে। তিনিই গোটা প্রক্রিয়াটি দেখভাল করবেন।

Zilla parishad
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy