Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

ভ্যানে চেপে ধর্মীয় জলসায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কায় মৃত্যু হল ভ্যান আরোহী এক বৃদ্ধার। মৃতার নাম রমা গুড়িয়া (৬০)। জখম দুই শিশু, চার মহিলা-সহ ৯ জন। তাঁদের সকলকে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর জখম এক বৃদ্ধ ও এক শিশুকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।হলদিয়ার সুতাহাটার একই পরিবারের শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, আত্মীয়-স্বজন মিলে ১০ জন খেজুরির হিজলিতে ধর্মীয় জলসায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৯

বাস-গাড়ির ধাক্কা, মৃত বৃদ্ধা, জখম ৯

নিজস্ব সংবাদদাতা • তমলুক

ভ্যানে চেপে ধর্মীয় জলসায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কায় মৃত্যু হল ভ্যান আরোহী এক বৃদ্ধার। মৃতার নাম রমা গুড়িয়া (৬০)। জখম দুই শিশু, চার মহিলা-সহ ৯ জন। তাঁদের সকলকে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর জখম এক বৃদ্ধ ও এক শিশুকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।হলদিয়ার সুতাহাটার একই পরিবারের শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, আত্মীয়-স্বজন মিলে ১০ জন খেজুরির হিজলিতে ধর্মীয় জলসায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়ক ধরে নন্দকুমারের দিকে আসার পথে সকাল ৯টা নাগাদ নন্দকুমার ফুটবল ময়দানের কাছে তাঁদের গাড়িটি অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। বৃদ্ধা রমাদেবী ঘটনাস্থলেই মারা যান। ভ্যানের চালক, আরোহী-সহ বাকি ন’জনই গুরুতর জখম হন। প্রচণ্ড শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে আহতদের নন্দকুমার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করান। পরে তাঁদের তমলুক জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে গুড়িয়া পরিবারের গৃহবধূ শম্পা গুড়িয়া ও তাঁর এক বছরের শিশুপুত্র দেবাংশু রয়েছে। মা-ছেলের মাথায় আঘাত রয়েছে। চার বছরের শিশু অস্মিতা ও বৃদ্ধ রাধাকান্ত গুড়িয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে তাঁদের দু’জনকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশ বাসটিকে আটক করেছে।

জেলাশাসকের কাছে নিরাপত্তার দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা • মেদিনীপুর

নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে জেলাশাসকের কাছে দরবার করলেন পঞ্চায়েত সমিতির এক তৃণমূল সদস্যা। জয়ন্তীরানি দে নামে খড়্গপুর- ২ পঞ্চায়েত সমিতির ওই সদস্যা মঙ্গলবার দুপুরে জেলাশাসক গুলাম আলি আনসারির সঙ্গে দেখা করেন। এক অভিযোগপত্রও জমা দেন। জয়ন্তীদেবীর দাবি, তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলেরই কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁর। অভিযোগপত্রে পঞ্চায়েত সমিতির এই সদস্যা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার রাতে সুশান্ত পাল সহ ২৫- ৩০ জন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তিনি পুলিশকে ফোন করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পরের দিন তিনি খড়্গপুর লোকাল থানায় এবং বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগও জানান। এরপর থেকে তাঁকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য নানা ভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। সুশান্তবাবু এলাকার যুব তৃণমূল নেতা। তিনি খড়্গপুর- ২ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল দলনেতাও। দলেরই নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জয়ন্তীদেবী এমন অভিযোগ করায় তৃণমূলের অন্দরেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সুশান্তবাবু অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “পুরোপুরি মিথ্যে অভিযোগ। একটা ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনাস্থলে আমি ছিলামই না। খবর পেয়ে পরে পৌঁছই।” পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যার অভিযোগ খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ- প্রশাসন।

বাম-তৃণমূল আঁতাঁত, এ বার সরব মানস

এ বার সিপিএম ও তৃণমূলের ‘আঁতাত’ নিয়ে সরব হলেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মানস ভুঁইয়া। সোমবার কংগ্রেস-সিপিএমের ‘গোপন সম্পর্কে’র অভিযোগ তুলে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের নালিশ করেন সবং বিধানসভায় তৃণমূলের নির্বাচনী চেয়ারম্যান অমূল্য মাইতি। তারপরই মঙ্গলবার মানসবাবু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিপিএম ও তৃণমূলের আঁতাতের অভিযোগ করেন। অমূল্য মাইতির করা অভিযোগ মিথ্যা বলেও দাবি করেন মানসবাবু। এ দিন মানসবাবু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী আর পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাত হবে, তা এ কথা ভূতেও বিশ্বাস করবে না। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রেখে পুলিশ জঘন্য কাজ করেছে। নাহলে অমূল্য মাইতি কোনও দিনও জিততে পারতেন?” এর আগেও সবং এলাকায় সিপিএম ও তৃণমূলের ‘আঁতাতে’র অভিযোগে সরব হয়েছেন সবংয়ের বিধায়ক মানস ভুঁইয়া। এ দিনও সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বুড়াল অঞ্চল সিপিএমের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সভাধিপতি হরেকৃষ্ণ সামন্তের এলাকা। এখন ওই পঞ্চায়েতে অমূল্যবাবুদের সঙ্গে সিপিএমের দহরম-মহরমের ফলে আমরা ৬ জন জিতেও প্রধান পদ দখল করতে পারিনি।” অমূল্যবাবুর পাল্টা বক্তব্য, “পঞ্চায়েত ভোটে যদি সন্ত্রাসই হয়ে থাকবে, তাহলে কী করে কংগ্রেস একাধিক পঞ্চায়েত ও সবং পঞ্চায়েত সমিতি দখল করল।” এ দিন মানসবাবু কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা জানিয়ে বলেন, “সিপিএমের আমলে পঞ্চায়েতে খুন হয়েছিল ৪০ জন ও তৃণমূলের আমলে ২০১৩ সালে ৬০ জন। অথচ ২০০৯ ও ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনর নির্বাচন করেছে। রক্ত ঝরেনি।”

বিরোধীদের পরিযায়ী বলে কটাক্ষ শিশিরের

কাঁথি ৩ ব্লকের লাবণ্য বাজারে শিশির অধিকারীর জনসভা

পরনে ফিনফিনে আদ্দির পাঞ্জাবি, ধুতি আর চিরাচরিত চামড়ার চটি। চৈত্রের দাবদাহকে উপেক্ষা করে এই সাজেই জোরদার প্রচার করছেন কাঁথির তৃণমূল প্রার্থী শিশির অধিকারী। সকালে রামনগর তো দুপুরে খেজুরি, বিকালে পটাশপুর-ভগবানপুর সর্বত্রই প্রচারে রয়েছেন তিনি। মিছিল, কখনও কর্মীদের নিয়ে পদযাত্রা, আবার কখনও ভোটারদের বাড়িতে ঢুকে নানা খোঁজখবর নেওয়া, সবই চলছে নাগাড়ে। প্রচারে বিরোধী কংগ্রেস ও সিপিএমের তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি তুলে ধরছেন গত পাঁচ বছরে কাঁথির সাংসদ হিসেবে তাঁর উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান। মঙ্গলবার সকালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সন্ধ্যা রায়ের সমর্থনে সভা করার পর বিকেলে উত্তর কাঁথির লাউদা অঞ্চলের লাবন্য বাজার ও কানাই দিঘি অঞ্চলে নিজের নির্বাচনী প্রচার চালান এই বর্ষীয়ান সাংসদ। লাউদা অঞ্চলের লাবন্য বাজারে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিশিরবাবু বলেন, “গত পাঁচ বছরে যত উন্নয়নমূলক কাজ করেছি তার সিকি ভাগ উন্নয়নও বিরোধীরা কখনও করে উঠতে পারেনি।” তাঁর কথায়, “সাংসদ তহবিলের ২১ কোটি ২৩ লক্ষ ৮০ হাজার ৫৬৮ টাকায় এলাকার উন্নয়ন, কেলেঘাই প্রকল্প, বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন, সেচের উন্নতি, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, বিদ্যুদয়নের কাজ, লাউদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১ কোটি টাকা খরচে দশটি শয্যা চালু, বনমালিচট্টা হাইস্কুলে ছাত্রাবাস ইত্যাদি কাজ করেছি। শিশিরবাবু বলেন, “কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রে রসুলপুর বন্দর চালু হলে পণ্য বিপণনে জেলায় নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। কর্মসংস্থান হবে।” কাঁথি কেন্দ্রের সিপিএম ও কংগ্রেস প্রার্থীদের ‘পরিযায়ী’ বলে ব্যঙ্গ করে শিশিরবাবু বলেন, ‘‘এই সব প্রার্থীদের শুধু ভোট এলেই উড়ে আসতে দেখা যায়। ভোট ফুরিয়ে গেলে এরাও জেলা থেকে উধাও হয়ে যান।’’ লাবণ্য বাজার ও কানাইদিঘিতে শিশিরবাবু ছাড়াও বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, জেলা শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মামুদ হোসেন, কাঁথি ৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বেজ ও ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমরেশ দাস বক্তব্য রাখেন।

নাম না করে শুভেন্দুকে তোপ

দিন কয়েক আগে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী ইব্রাহিম আলিকে সংসদে যাওয়ার অযোগ্য বলে আক্রমণ করেছিলেন তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এ বার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে দলীয় কর্মীসভায় শুভেন্দুবাবুর নাম না করে তাঁকে ‘রাজকুমার’ বলে কটাক্ষ করলেন সিপিএম প্রার্থী ইব্রাহিম আলি। ইব্রাহিম আরও বলেন, “উনি জানেন না আমি জেলার বৃহত্তম পাঁশকুড়া কলেজের ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দু’বার কলেজের পরিচালন সমিতির সদস্য ছিলাম। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটের সদস্য ছিলাম।” গতবছর পাঁশকুড়ার কাছে কাঁসাই নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যার জেরে পাঁশকুড়া ও তমলুক ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ বন্যার প্রসঙ্গ টেনে ইব্রাহিম এ দিন কর্মীসভায় বলেন, “তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে কাঁসাইনদীর বাঁধ ভেঙে এখানকার মানুষকে এক বছরে পরপর তিন বার বন্যার কবলে পড়তে হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সাহায্য দেওয়া নিয়ে দলবাজি করেছে তৃণমূল।” তৃণমূলের আমলে রাজ্যে সারদা ও টেট কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “যে দলের নেত্রীকে সততার প্রতীক বলে প্রচার করা হয় সেই দলের এক সাংসদ সারদা কেলেঙ্কারিতে জেলে গিয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারি হয়েছে।”

গণপিটুনিতে জখম কনস্টেবলের মৃত্যু

চোর সন্দেহ করে গণপ্রহারে মৃত্যু হল এক কনস্টেবলের। মঙ্গলবার ভোরে কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় স্বপন মাঝি (৩৭) নামে ওই ব্যক্তির। পুলিশ জানিয়েছে, স্বপনবাবু পুরুলিয়ার কাশিপুরের বাসিন্দা। তিনি ডেবরা থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে সাদা পোশাকে ডেবরার ভোগপুর থেকে থানার দিকে আসছিলেন স্বপনবাবু। হঠাৎই স্বপনবাবুকে দেখে চোর বলে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। এরপর পথ আঠকে শুরু হয় বেদম প্রহার। স্থানীয় থানায় খবর পৌঁছায় চোর ধরা পড়েছে। পুলিশের ভ্যান আসতেই পালায় স্থানীয় বাসিন্দারা। তখনই দেখা যায় জখম ব্যক্তি চোর নয়, ওই থানারই কনস্টেবল। জখম স্বপনবাবুকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যালে ভর্তি করে ডেবরা পুলিশ। গত শনিবার স্বপনবাবুকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল। মঙ্গলবার ভোরে কলকাতার হাসপাতালে মারা যান স্বপনবাবু। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

ধর্ষণের চেষ্টা, সাজা দুই যুবকের

এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্তের সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হল। মঙ্গলবার কাঁথি আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক অনির্বাণ দাস খেজুরি থানা এলাকারই বাসিন্দা সাধন পণ্ডা ও লাল্টু মাইতিকে এই সাজা দেন। এছাড়াও বিচারক তাঁদের দশ হাজার টাকা জরিমানা ও জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। মামলার সরকারি আইনজীবী কুহকরঞ্জন মণ্ডল জানান, ২০০৯ সালের ২৮ অগস্ট এগারো বছর বয়সী ওই নাবালিকা প্রতিবেশী অমূল্য মণ্ডলের বাড়িতে দুধ আনতে যায়। সেই সময় স্থানীয় একটি মোবাইল টাওয়ারের দুই কর্মী সাধন ও লাল্টু ওই নাবালিকাকে টাওয়ারের জিনিসপত্র দেখানোর অছিলায় ডেকে নিয়ে গিয়ে যৌন হেনস্থা করে। ওই নাবালিকা বাড়ি ফিরে গিয়ে সমস্ত ঘটনার কথা জানানোর পর তাঁর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

সিপিএমের মিছিল

মঙ্গলবার শালবনির সিজুয়ায় মিছিল করেন ঝাড়গ্রামের সিপিএম প্রার্থী পুলিনবিহারী বাস্কে। দলের একটি কার্যালয়ও খোলা হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে কার্যালয়টি বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। পুলিনবাবু বলেন, “ভয়-ভীতি কাটিয়ে মানুষ পথে নামছেন। জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। ব্যাপক মানুষের প্রতিবাদই পারবে তৃণমূলের জনস্বার্থ বিরোধী কাজকে প্রতিহত করতে।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy