Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনের সকালটা কচিকাঁচাদের সঙ্গেই কাটালেন মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী প্রবোধ পণ্ডা। প্রবোধবাবু মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ। শিশু সংগঠন ‘সব পেয়েছির আসর’- এর উদ্যোগে পয়লা বৈশাখ বরণে মঙ্গলবার দিনভর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালে বিদ্যাসাগর হলের মাঠ থেকে প্রভাতফেরি বের করা হয়।

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৪ ০২:০১

বৈশাখ বরণে পথে প্রবোধ
নিজস্ব সংবাদদাতা • মেদিনীপুর

প্রভাতফেরিতে হাজির বামপ্রার্থী।—নিজস্ব চিত্র।

বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনের সকালটা কচিকাঁচাদের সঙ্গেই কাটালেন মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী প্রবোধ পণ্ডা। প্রবোধবাবু মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ। শিশু সংগঠন ‘সব পেয়েছির আসর’- এর উদ্যোগে পয়লা বৈশাখ বরণে মঙ্গলবার দিনভর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালে বিদ্যাসাগর হলের মাঠ থেকে প্রভাতফেরি বের করা হয়। বিকেলে বিদ্যাসাগর হলের মাঠে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। প্রভাতফেরির আগে প্রভাতি অনুষ্ঠান হয়। উদ্যোক্তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনান্য বছরের মতো এ বারও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রবোধবাবু। সকাল সাতটা নাগাদ তিনি বিদ্যাসাগর হলের মাঠে চলে আসেন। পতাকা উত্তোলন করেন। প্রভাতি অনুষ্ঠানের পর প্রভাত-ফেরি শুরু হয়। কচি-কাঁচাদের সঙ্গে প্রভাতফেরিতে পা মেলান মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদও। প্রবোধবাবু বলেন, “নববর্ষের সকালে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে থাকতে পেরে খুব ভাল লাগছে। নতুন বছর সকলের কাছে বর্ণময় হোক।” সকালটা মেদিনীপুরে কাটিয়ে দুপুরে তিনি রওনা দেন নারায়ণগড়ে। সেখানে তাঁর কয়েকটি নির্বাচনী প্রচার ছিল।

দু’গোষ্ঠীর সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে জখম ৪ পুলিশ কর্মী
নিজস্ব সংবাদদতা • এগরা

গোষ্ঠী সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন পুলিশ কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত ন’টা নাগাদ ভগবানপুর বাজারের নতুন রাস্তার মোড়ে। আহত হয়েছেন চার পুলিশ কর্মী। এঁদের মধ্যে তিন জনকে প্রাথমিক চিকিত্‌সার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। মহিউল ইসলাম নামে এক পুলিশ কর্মীকে প্রথমে তমলুক জেলা হাসপাতাল পরে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে স্থানীয় দশ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক চোদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরের শান্তি কমিটি ও কোর কমিটির মধ্যে গোলমালের জেরে এই ঘটনা। দু’টি গোষ্ঠীই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে স্থানীয়দের দাবি। এলাকার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই বহু দিনের বিবাদ রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা সেইরুউ মল্লিক ও সফিউল মল্লিকের মধ্যে। দু’জনেই সিপিএম থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। সোমবার ন’টা নাগাদ ফের বিবাদে জড়ায় দু’গোষ্ঠীর লোকেরা। স্থানীয় সূত্রে সেই খবর পেয়ে পুলিশ আসে। ততক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছিল দু’গোষ্ঠীর ইটবৃষ্টি। এই সময় ইটের ঘায়ে আক্রান্ত হন চার পুলিশ কর্মী। এগরা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সমীর বসাক বলেন, “টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে ওই সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হন চার পুলিশকর্মী।” স্থানীয় বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি বলেন, “ঘটনার কথা শুনেছি। খোঁজ নিচ্ছি।”

কচিকাঁচাদের সঙ্গে প্রবোধ
নিজস্ব সংবাদদাতা • মেদিনীপুর

বাংলার নতুন বছরের প্রথম দিনের সকালটা কচিকাঁচাদের সঙ্গেই কাটালেন মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী প্রবোধ পণ্ডা। প্রবোধবাবু মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ। শিশু সংগঠন ‘সব পেয়েছির আসর’- এর উদ্যোগে পয়লা বৈশাখ বরণে মঙ্গলবার দিনভর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালে বিদ্যাসাগর হলের মাঠ থেকে প্রভাতফেরি বের করা হয়। বিকেলে বিদ্যাসাগর হলের মাঠে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। প্রভাতফেরির আগে প্রভাতি অনুষ্ঠান হয়। উদ্যোক্তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনান্য বছরের মতো এ বারও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রবোধবাবু। সকাল সাতটা নাগাদ তিনি বিদ্যাসাগর হলের মাঠে চলে আসেন। কচি-কাঁচাদের সঙ্গে প্রভাতফেরিতে পা মেলান মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদও। প্রবোধবাবু বলছিলেন, “নববর্ষের সকালে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে থাকতে পেরে খুব ভাল লাগছে। নতুন বছর সকলের কাছে বর্ণময় হোক।” সকালটা মেদিনীপুরে কাটিয়ে দুপুরেই নারায়ণগড়ে নির্বাচনী- কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি।

বিজেপি ব্লক সভাপতিকে মারধরে অভিযুক্ত তৃণমূল

বিজেপি প্রার্থীর পর এবার দলের ব্লক সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থানার টুলিয়া গ্রামের এই ঘটনায় জখম গোপীনাথ দাস তমলুক জেলা হাসপাতালে চিকিত্‌সাধীন রয়েছেন। বিজেপির তমলুক ব্লক সভাপতি গোপীনাথবাবুকে মারধরের ঘটনায় তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের তরফেও ওই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সুকেশ কুমার জৈন বলেন, “বিজেপির এক নেতাকে মারধরের অভিযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিজেপির ওই নেতার বিরুদ্ধে। তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।” পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ৮ টা নাগাদ তমলুক ব্লকের নীলকুন্ঠিয়া গ্রামপঞ্চায়েতের টুলিয়া গ্রামের তিন বিজেপি সমর্থক দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে পোস্টার লাগাতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় স্থানীয় একদল তৃণমূল সমর্থক তাঁদের জোর ধরে নিয়ে গিয়ে একটি স্থানে আটকে রাখে। তা নিয়ে ওই এলাকার তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে বচসা বাধে। এসময় দুই বিজেপি সমর্থককে মারধর করা হয় বলে বিজেপির অভিযোগ। রাতে ঘটনাস্থলে যায় তমলুক থানার পুলিশ বাহিনী এবং বিজেপির তমলুক ব্লক সভাপতি গোপীনাথ দাস। অভিযোগ, তখন তাঁকেও মারধর করা হয়। তমলুক জেলা হাসপাতালে চিকিত্‌সাধীন গোপীনাথবাবু বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে ফেরার সময় আচমকা একদল তৃণমূল সমর্থক আমাকে ও আমার দুই সঙ্গীকে আক্রমণ করে।” বিজেপির পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাসের অভিযোগ, “দলীয় প্রচারে বাধা দিতে সোমবার তৃণমূল সমর্থকরা ফের আমাদের নেতাকে আক্রমণ করেছে।” তমলুক ব্লকের তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধক্ষ সোমনাথ বেরার পাল্টা অভিযোগ, “টুলিয়া গ্রামে বিজেপি ও আমাদের দলের সমর্থকদের মধ্যে বচসা হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে দিয়েছিল। এরপর এলাকার বাইরে থেকে গোপীনাথবাবু গ্রামে গিয়ে আমাদের দলীয় নেতৃত্বকে হুমকি দেয়। স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হওয়ার জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে।”

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু হল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। মৃতের নাম উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় (২৪)। বাড়ি পুরুলিয়া জেলার মানবাজারের নামপাড়ায়। একটি খুনের মামলায় গত মার্চে সাজা শোনানো হয় উজ্জ্বলকে। ১৯ মার্চ থেকে তিনি মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছিলেন। জেল সূত্রে খবর, নববর্ষ উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় সংশোধনাগারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বন্দিরা যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে সকলেই ওয়ার্ডে ফিরে যান। রাত ৮টা নাগাদ বন্দিদের সংখ্যা মেলানোর সময় দেখা যায়, একজন কম রয়েছেন। তখনই উজ্জ্বলের খোঁজ শুরু হয়। পরে দেখা যায়, জেল চত্বরে একটি বিদ্যুতের খুঁটির নীচে তাঁর দেহ পড়ে রয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওই বন্দি অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। সম্ভবত তিনি বিদ্যুতের খুঁটি থেকে নীচে ঝাঁপ দিতে চেয়েছিলেন। তখন কোনও ভাবে বিদ্যুত্‌স্পৃষ্ট হন। জেল সুপার খগেন্দ্রনাথ বীর বলেন, “ল্যাম্প পোস্টের নীচে মৃতদেহটি পড়ে ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” উজ্জ্বলবাবুর পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে মঙ্গলবার ভোরে মেদিনীপুর রওনা হন। প্রতিবেশী প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সোমবার রাত ১২টা নাগাদ মানবাজার থানা থেকে খবর পাই উজ্জ্বল মেদিনীপুর জেলে মারা গিয়েছেন।” উজ্জ্বলের বাবা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় শোকস্তব্ধ। কোনওমতে তিনি বলেন, “ছেলেটা জেলে ছিল, তবু তো বেঁচে ছিল। ও যে এ ভাবে মারা যাবে ভাবিনি।” জানা গিয়েছে, শেষকৃত্যের পর ঠিক কী ঘটেছিল জানতে চেয়ে আবেদন জানাবে মৃতের পরিবার।

নতুন বছরে নানা রঙে বর্ষবরণ

নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার নানা অনুষ্ঠান মেদিনীপুর ও খড়্গপুরে। কোথাও নাচ-গান, কোথাও সামাজিক কর্মসূচি। খড়্গপুরের সুভাষপল্লি জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বেরোয়। কচিকাঁচা ও শিল্পীরা নাচ-গান-আবৃত্তিতে প্রভাতফেরি মাতিয়ে তোলে। ছিলেন অধ্যাপক তপনকুমার পাল, সভাপতি রথীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই দিনটিতে ইন্দা শরত্‌পল্লির সবুজ সঙ্ঘ ক্লাব ১৯৭৬ সাল থেকে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান করে আসছে। সকালে ছিল রক্তদান শিবির। মোট ৭৮ জন রক্তদান করেন। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ট্র্যাকম্যান অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিকেলে বর্ষবরণ সম্মিলনী হয়। সেখানে সংগঠনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়। বেতন কাঠামো, কর্মসূচি সম্পর্কে দেশবাসীকে জানাতে এই উদ্যোগে বলে সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি দীপঙ্কর ভৌমিক জানান। এ দিন বেলদার কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ট্যাবলো-সহ শোভাযাত্রা বেরোয়। পরে বেলদা গ্রামীণ হাসপাতালের ৭৫ জন রোগীকে ফল বিতরণ করা হয়। গত বছর থেকে এ ভাবেই তাঁরা বর্ষবরণ করছেন বলে জানিয়েছেন কোষাধ্যক্ষ সুদীপ্ত মাইতি। এ দিন সকালে ‘মেদিনীপুর ডান্সার্স ফোরাম’-এর নৃত্যানুষ্ঠান ‘বৈশাখী’ পরিবেশিত হয় মেদিনীপুর কলেজ ক্যাম্পাসে। জেলা জাতীয় ক্রীড়া ও শক্তি সঙ্ঘ প্রভাতফেরি বের করে। ছিল যোগাসন, কবাডি, খো খো প্রতিযোগিতাও। সন্ধ্যায় ‘ক্যামেলিয়া’র উদ্যোগে মেদিনীপুর কলেজের সামনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

ইট বোঝাই লরির সঙ্গে গাড়ির ধাক্কা, মৃত ৩

ইট বোঝাই লরির সঙ্গে যাত্রীবাহী ছোটগাড়ির মুখোমুখি ধাক্কায় তিন জন মারা গেলেন। গুরুতর আহত চারজন। সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে মারিশদা থানার খড়িপুকুরিয়াতে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে আছেন ছোট গাড়ির চালক গৌতম দাস (৩৮) ছাড়াও দুই যাত্রী মিহিররঞ্জন সামন্ত (৬৫) ও বরেন্দ্রনাথ জানা (৬৩)। চালক গৌতম দাসের বাড়ি পটাশপুর থানার নারিয়া গ্রামে। বাকি দু’জনের বাড়ি পটাশপুর থানার পালপাড়ায়। ইট বোঝাই লরির চালক-সহ চার জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় সোমবার রাতেই কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটাশপুর থানার পালপাড়ায় মিহিরবাবু ও বরেন্দ্রনাথবাবু-সহ এলাকার পাঁচ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক একটি ছোট যাত্রীবাহী গাড়ি ভাড়া করে কাঁথিতে এক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সন্ধ্যায় পালপাড়া ফেরার পথে মারিশদা থানার খড়িপুকুরিয়ার কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইটবোঝাই লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। ঘটনায় দুই গাড়ির চালক-সহ পাঁচযাত্রীই আহত হন। পরে স্থানীয় মানুষ ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে গেলে চিকিত্‌সকরা তিন জনকে মৃত বলে জানান।

বন্দির অপমৃত্যু

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু হল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। মৃতের নাম উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় (২৪)। বাড়ি পুরুলিয়া জেলার মানবাজারের নামপাড়ায়। একটি খুনের মামলায় গত মার্চে সাজা শোনানো হয় উজ্জ্বলকে। ১৯ মার্চ থেকে তিনি মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছিলেন। থাকতেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। জেল সূত্রে খবর, নববর্ষ উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় সংশোধনাগারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বন্দিরা যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে সকলেই ওয়ার্ডে ফিরে যান। রাত ৮টা নাগাদ বন্দিদের সংখ্যা মেলানোর সময় দেখা যায়, একজন কম রয়েছেন। তখনই উজ্জ্বলের খোঁজ শুরু হয়। পরে দেখা যায়, জেল চত্বরে একটি বিদ্যুতের খুঁটির নীচে তাঁর দেহ পড়ে রয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওই বন্দি অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। সম্ভবত তিনি বিদ্যুতের খুঁটি থেকে নীচে ঝাঁপ দিতে চেয়েছিলেন। তখন কোনও ভাবে বিদ্যুত্‌স্পৃষ্ট হন। যদিও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনই কিছু বলতে নারাজ জেল কর্তৃপক্ষ। জেল সুপার খগেন্দ্রনাথ বীর বলেন, “ল্যাম্প পোস্টের নীচে মৃতদেহটি পড়ে ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” উজ্জ্বলবাবুর পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে মঙ্গলবার ভোরে মেদিনীপুর রওনা হন। উজ্জ্বলের বাবা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় শোকস্তব্ধ। তিনি বলেন, “ছেলেটা জেলে ছিল, তবু তো বেঁচে ছিল। ও যে এ ভাবে মারা যাবে ভাবিনি।”

আসছেন মুখ্যমন্ত্রী

ফের পশ্চিম মেদিনীপুরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২২ এপ্রিল জেলায় এসে তিনটি জনসভা করবেন তিনি। সভা হতে পারে বেলদা, তেমাথানি এবং ঘাটালে। তবে সভাস্থল চূড়ান্ত হয়নি। গত মাচে কেশিয়াড়ি, গড়বেতা এবং কেশপুরে সভা করেছেন মমতা। এ বার সবং ও নারায়ণগড় বিধানসভা এলাকার সভার পরিকল্পনা হচ্ছে। সবং কংগ্রেস বিধায়ক মানস ভুঁইয়ার ‘খাসতালুক’। মানসবাবু এ বার লোকসভার প্রার্থী। সবংয়ের তেমাথানিতে তাই মুখ্যমন্ত্রী সভা করতে পারেন। আর বেলদা নারায়ণগড়ের অন্তর্গত, যা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের নির্বাচনী এলাকা। জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি প্রদ্যোত্‌ ঘোষ বলেন, “দু’-এক দিনের মধ্যেই সভাস্থল চূড়ান্ত হবে।”

প্রতারণা, গ্রেফতার

মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার সন্তোষ পাল নামে ধৃত ব্যবসায়ীকে কাঁথি আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে জেল হাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, কাঁথি শহরের সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী সন্তোষ পাল কাঁথি থানার কামারপুট গ্রামের বেণীমাধব পড়্যার কাছে মাছ ধরার জাল ও অন্য সামগ্রী বিক্রি করার জন্য ২ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়েও সরঞ্জাম দেননি। না পেয়ে বেণীবাবু টাকা ফেরত্‌ চাইতে দোকানে গেলে সন্তোষ পাল মারধর করে বলে অভিযোগ।

দেহ উদ্ধার

চাষ জমিতে পড়ে থাকা একটি পচাগলা দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মঙ্গলবার সবংয়ের সার্তা গ্রাম পঞ্চায়েতের কোড়দা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মৃত সুনীল বেরা (৪৫) ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সুনীল বাড়ি থেকে মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে যেতেন। গত ৮ এপ্রিল তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান। চার দিন বাড়ি না ফেরায় বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর নিতে শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। তবে সন্ধান মেলেনি। এ দিন সকালে স্থানীয় চাষজমি থেকে দুর্গন্ধ পান গ্রামবাসীরা। সবং থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।

ধৃত হোটেল কর্তা

মন্দারমণিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে একটি হোটেলের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করল রামনগর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মন্দারমণিতে কোশটাল রেগুলেটিং জোনের মধ্যে ওই হোটেলটি বেআইনি নির্মাণ কাজ করছিল। পুলিশ ম্যানেজার মন্টু কামরুইকে ধরে। ধৃতের ১৪ দিনের জেল হাজাতের নির্দেশ হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy