বাংলাদেশি এক যুবতী উদ্ধার করল পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের এক হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে। গ্রেফতার করা হয়েছে হোটেল মালিক-সহ দুই ব্যক্তিকে।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সালিখা থানা এলাকার বাসিন্দা ওই যুবতী ৩১ জুলাই এ দেশে আসেন। উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের ডহরকান্দা গ্রামে তাঁর খুড়তুতো দিদির বাড়ি। ওই যুবতী পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়েই তিনি ভারতে এসেছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁর জামাইবাবু আসারুল গাজী সিনেমা দেখাতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে গাড়িতে তোলেন ওই যুবতীকে। বারাসাতের কাছে রুহুল আমিন ও আবদুল হাই নামে দুই ব্যক্তি তাঁদের গাড়িতে ওঠেন। আসারুল ওই দু’জনকে বন্ধু বলে পরিচয় দেন। এরপর আসারুল মহিষাদলের কাপাসেড়িয়া এলাকায় একটি হোটেল ওঠেন। মেয়েটিকে ওই হোটেলে রেখেই বেরিয়ে যান তিনি। ওই যুবতীর অভিযোগ রুহুল আমিন ও আবদুল হাই তাঁকে জানান, জামাইবাবু তাঁকে বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই যুবতীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি তাঁর পরিচিত এক বন্ধুকে ফোন করেন। সেখান থেকেই হলদিয়ার এসডিপিও-র ফোন নম্বর পান।
জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, ‘‘ওই যুবতী এ রাজ্যের তাঁর এক বন্ধুকে ফোন করে হলদিয়ার এসডিপিওর ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন। ফোনেই এসডিপিওকে পুরো ঘটনা ওই যুবতী জানান।’’ এর পরে মহিষাদলের কাপাসেড়িয়ার একটি হোটেল তল্লাশি চালিয়ে বাংলাদেশী ওই যুবতীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই যুবতীর জামাইবাবু এবং তাঁর অন্য এক বন্ধুর খোঁজ চলছে। বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হলে ওই যুবতীকে সরকারি হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।