Advertisement
E-Paper

শহর লাগোয়া আবাসে ডাকাতি

দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটল মেদিনীপুর শহর লাগোয়া আবাসে। একটি বাড়িতে ঢুকে তিন দুষ্কৃতী নগদ ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা এবং প্রায় ১২ ভরি সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। চিন্তায় পড়েছে পুলিশও। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে দুষ্কৃতীরা কেউ ধরা পড়েনি। পুলিশের বক্তব্য, এই ডাকাতিতে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পুলিশের আশ্বাস, উদ্বেগের কিছু নেই। প্রয়োজনে আবাস ও তার আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৩৭

দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটল মেদিনীপুর শহর লাগোয়া আবাসে। একটি বাড়িতে ঢুকে তিন দুষ্কৃতী নগদ ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা এবং প্রায় ১২ ভরি সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। চিন্তায় পড়েছে পুলিশও। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে দুষ্কৃতীরা কেউ ধরা পড়েনি। পুলিশের বক্তব্য, এই ডাকাতিতে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পুলিশের আশ্বাস, উদ্বেগের কিছু নেই। প্রয়োজনে আবাস ও তার আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় গোপাল মালের বাড়িতে ভাড়া থাকে সাধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার। শুক্রবার বিকেলে সাধনবাবুর ভাড়া বাড়িতেই ডাকাতি হয়। বাড়িতে তখন একা ছিলেন সাধনবাবুর স্ত্রী মিনতিদেবী। তিনি জানিয়েছেন, তিন দুষ্কৃতী এসে দরজায় কড়া নাড়ে। মিনতিদেবী দরজা খুলতেই কাপড় দিয়ে তাঁর মুখ বেঁধে দেয় দুষ্কৃতীরা। চিত্‌কার করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। এরপরই চলে লুঠপাট। প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা এবং ১২ ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় তারা।

মাস খানেক আগে এমনই চুরির ঘটনা ঘটেছিল মেদিনীপুর শহরের মিত্র কম্পাউন্ডের একটি বাড়িতে। ওই বাড়িতে থাকতেন বৃদ্ধ দম্পতি। এক রাতে দুই যুবক বাড়িতে হানা দেয়। কলিং বেল বাজায়। বৃদ্ধ দরজা খোলেন। এরপরই এক যুবক বৃদ্ধকে জড়িয়ে ধরে। পরে মাফলার দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে দেয়। বৃদ্ধকে একটি ঘরে আটকে রেখে গয়নার খোঁজ শুরু করে দুস্কৃতীরা। বৃদ্ধাকে দেখতে পেয়ে তাঁর হাতে থাকা আংটি-চুড়ি খুলে নেয়। দুষ্কৃতীদের হাতে বৃদ্ধা জখমও হন।

শহর-শহরতলি এলাকায় মাঝেমধ্যেই চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। কয়েকটি এলাকায় হার ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মেদিনীপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিনে দিনে অবনতি হচ্ছে। তাই প্রায়শই চুরির ঘটনা ঘটছে। কখনও বাড়ির সামনে থেকে, দোকানের সামনে থেকে, কখনও বা অফিসের সামনে থেকে মোটর বাইক-সাইকেল চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। আবার কখনও দিনের আলোয় কিংবা রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছে। শহরের মিত্র কম্পাউন্ড কিংবা শহরতলির আবাসের মতো জনবহুল এলাকায় কী ভাবে দুষ্কৃতী-রাজ চলছে, সেই প্রশ্নও উঠছে। শহর- শহরতলিতে সাদা পোশাকের পুলিশ নজরদারি চালায়। তা-ও চুরির ঘটনায় লাগাম টানা না যাওয়ায় চিন্তিত পুলিশের একাংশও। স্থানীয়দের মতে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড়সড় ফাঁক তৈরি হয়েছে। সর্বত্র পুলিশি টহল ঠিকঠাক হচ্ছে না। পুলিশি নিরাপত্তার ফাঁক গলেই দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। জেলা পুলিশের এক কর্তা অবশ্য বলেন, “এমন ঘটনা এড়াতে গেলে আগে দুষ্টচক্রগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। ধরপাকড় চলেই। তবে মূল পান্ডাদের বেশ কয়েকজন এখনও অধরা। তাদের পাকড়াও করা সম্ভব হয়নি। মূল পান্ডাদের ধরা গেলে এ ভাবে চুরি- ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটবে না। ওদের খোঁজও চলছে।”

medinipur dacoity
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy