Advertisement
E-Paper

‘সারি’-তে পাঠানো হল রোগী, অভয় সুপারের

রানাঘাট হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার শান্তিপুরের বাসিন্দা বছর আটচল্লিশের এক ব্যক্তিকে মেল মেডিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২০ ০৫:৩৪
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

জ্বর ও শ্বাসকষ্টের এক রোগীকে নিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হল রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। সেই রোগীকে অবশ্য কৃষ্ণনগরে ‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস’ (সারি)-র জন্য নির্দিষ্ট গ্লোকাল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রানাঘাট হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার শান্তিপুরের বাসিন্দা বছর আটচল্লিশের এক ব্যক্তিকে মেল মেডিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর জ্বর ছিল, কাশিও হচ্ছিল। শ্বাসকষ্ট হতে থাকায় পরে তাঁকে এইচডিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়। শেষমেশ মঙ্গলবার তাঁকে ‘সারি’ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পরেই কৃষ্ণনগরের কাছে ভাতজাংলায় জাতীয় সড়কের ধারে বন্ধ পড়ে থাকা বেসরকারি গ্লোকাল হাসপাতালকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর সেটিকে ‘সারি’ হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত করেছে। রোগীকে সেখানে পাঠানোর বিষয়টি জানাজানি হতেই মেল মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। তাঁদের সন্দেহ, করোনা-আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন বলেই ওই রোগীকে ‘সারি’ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে তাঁকে সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়েছিল কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।

রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার শ্যামলকুমার পোড়ে অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন, ভয়ের বিশেষ কোনও কারণ নেই। তাঁর দাবি, “এই নিয়ে হাসপাতালে রোগীদের মধ্যেও কোনও সমস্যা হয় নি।”

তিনি জানান, ওই রোগীর নিউমোনিয়ার লক্ষণ ছিল। শ্বাসকষ্ট হতে থাকায় তাঁকে এইচডিইউ-তে ভর্তি করা হয়। কিন্তু পরে জানা যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষণের কারণে সম্প্রতি তিনি কলকাতা চিকিৎসাধীন ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত সুপার বলেন, “এর পরেই আমরা ওই রোগীকে ‘সারি’ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিই। যথাযথ চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা একটা রুটিন।

এ দিনই হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখতে যান রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। ভারপ্রাপ্ত সুপারের সঙ্গেও তিনি দেখা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, “হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা কম থাকায় রোগীরা ঠিক মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না।” তবে তা অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত সুপার পোড়ে বলেন, “এখানে সব রকমের ব্যবস্থাই রয়েছে।”

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

Coronavirus
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy