দশম শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার শান্তিপুর থানার নৃসিংহপুর এলাকায়। রবিবার সকালে নিজের ঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। তড়িঘড়ি ওই অবস্থা থেকে উদ্ধার করে নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে নাবালিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যা না কি নাবালিকার মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতার নাম কোয়েল মণ্ডল। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার ছুটির পর স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়েছিল কোয়েলের। সেই কারণে বাবা বিশ্বজিৎ মণ্ডল তাকে বকাঝকা করেন। পরিবারের অনুমান, অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছে নাবালিকা।
রবিবার সকালে বিশ্বজিৎ কাজে বেরিয়েছিলেন। বাড়িতে ছিল ওই নাবালিকা এবং তার মা। তিনি ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অনেক ক্ষণ পর দেখেন মেয়ের ঘরের দরজা বন্ধ। তা দেখে সন্দেহ জাগে তাঁর। দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতেই মেয়েকে সিলিং থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান ওই মহিলা। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশী আসেন। সকলে মিলে কোয়েলকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু বাঁচানো যায়নি তাকে।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছোয় শান্তিপুর থানার পুলিশ। মৃত্যুর আসল কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে তারা। কী ঘটেছিল, তা জানতে পরিবার এবং স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।