Advertisement
E-Paper

ঈশিতার খুনের পরেই কেন ঘরে তল্লাশি চালায়নি পুলিশ? আদালতে সওয়াল অভিযুক্ত দেশরাজের আইনজীবীর

অভিযুক্তের আইনজীবীর সওয়াল, ঘটনার দিন যেখানে কিছুই পাওয়া যায়নি, সেখানে পরের দিন কার্তুজের খোল এল কোথা থেকে?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০৬
ঈশিতা মল্লিকের সঙ্গে অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহ।

ঈশিতা মল্লিকের সঙ্গে অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহ। — ফাইল চিত্র।

নদিয়ার কৃষ্ণনগরে ঈশিতা মল্লিক হত্যা মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার পুলিশের দিকে আঙুল তুললেন অভিযুক্তের আইনজীবী। গত সোমবার আদালতে মৃতার মা কুসুম মল্লিকের বয়ান নেওয়া হয়। মঙ্গলবার শুনানিতে পুলিশের ভূমিকা এবং সাক্ষীর বয়ান নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুললেন অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহের আইনজীবী শামসুল ইসলাম মোল্লা। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনাটি পুলিশ নিজের ইচ্ছামতো সাজিয়েছে এবং তথ্যপ্রমাণ বা ‘প্লেস অফ অকারেন্স’ নিয়ে ‘কারসাজি’ করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে খবর, ঘটনার দিন পুলিশ মৃতার ঘরে কোনও তল্লাশি বা পরীক্ষা করেনি বলে অভিযোগ করেছেন দেশরাজের আইনজীবী। পরের দিন মৃতার ঘর খোলা হলে সেখান থেকে ঈশিতার চুল, ক্লিপ এবং দু’টি কার্তুজের খোল উদ্ধার করা হয়েছে বলে দেখানো হয়। অভিযুক্তের আইনজীবীর সওয়াল, ঘটনার দিন যেখানে কিছুই পাওয়া যায়নি, সেখানে পরের দিন কার্তুজের খোল এল কোথা থেকে? এমনকি, শৌচালয় থেকে বুলেট হেড উদ্ধারের ঘটনাটিকেও ‘সাজানো’ বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর সওয়াল, পুলিশ নিজেই সেখানে বুলেট হেড রেখে পরে তা উদ্ধার করেছে বলে দেখিয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে আবার একটি কার্তুজের খোল উদ্ধার হওয়া নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অভিযুক্তের আইনজীবী।

অন্য দিকে, ঈশিতার মা কুসুমের বয়ান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে বলে খবর। কুসুম দেবী দাবি করেছিলেন যে, তিনি দেশরাজকে আগে চিনতেন না। কিন্তু অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, দেশরাজ তাঁদের পূর্ব পরিচিত ছিলেন। ঘটনার পরে কুসুম কেন তাঁর স্বামী ছাড়া অন‍্য কাউকে কিছু জানাননি এবং কেন তাৎক্ষণিক ভাবে পুলিশকে এড়িয়ে গিয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী। তাঁদের দাবি, এফআইআর আটকানোর জন্যই হয়তো তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য গোপন করেছিলেন।

মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২২ জানুয়ারি। ওই দিন ফের কুসুমকে কাঠগড়ায় তুলে জেরা করবেন অভিযুক্তের আইনজীবী।

গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগর উইমেন্স কলেজ সংলগ্ন তাঁর নিজের বাড়িতে গুলি করে খুন করা হয় ঈশিতাকে। অভিযোগ, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা দেশরাজ গুলি করে খুন করেন ওই কলেজছাত্রীকে। এর পর নেপাল সীমান্ত থেকে ওই যুবককে গ্রফতার করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার হন তাঁর বাবা এবং মামাও। ওই দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযুক্তকে আশ্রয় এবং সাহায্যের অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy