Advertisement
E-Paper

ঈশিতা হত্যা মামলা: আদালতে ভাই করণের সাক্ষ্য এবং পুলিশের চার্জশিটকে ‘চ্যালেঞ্জ’ অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহের আইনজীবীর

এ দিন আদালতে করণকে জেরা করার সময় আইনজীবী মূলত অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর পূর্ব পরিচয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। করণ জানান, অভিযুক্ত দেশরাজের সঙ্গে খেলার মাঠে তাঁর পরিচয় ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:৩৪
ঈশিতা মল্লিক।

ঈশিতা মল্লিক। —ফাইল চিত্র।

নদিয়ার কৃষ্ণনগরের ঈশিতা মল্লিক হত্যা মামলার শুনানিতে এ বার সাক্ষ্য দিল তার ভাই করণ মল্লিক। এর আগে মা কুসুম মল্লিকের বয়ানে ‘অসংগতি’র দাবি তুলেছিলেন আসামী পক্ষের আইনজীবী। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বৃহস্পতিবার আদালতে করণের সাক্ষ্যদানের সময়ও পুলিশের চার্জশিট এবং পরিবারের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেন অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহের আইনজীবী শামসুল ইসলাম মোল্লা।

এ দিন আদালতে করণকে জেরা করার সময় আইনজীবী মূলত অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর পূর্ব পরিচয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। করণ জানান, অভিযুক্ত দেশরাজের সঙ্গে খেলার মাঠে তাঁর পরিচয় ছিল। এর পরেই আইনজীবী জানতে চান, করণের কাছে দেশরাজের কোনও ছবি আছে কি না। জবাবে করণ জানান, এই মুহূর্তে তাঁর কাছে অভিযুক্তের কোনও ছবি নেই। আসামী পক্ষের আইনজীবীর কৌশলী দাবী করেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে কেবল ‘ব্যক্তিগত সন্দেহ’ এবং ‘সাজানো নাটক’ কে প্রমাণ করতে চাইছেন নিহত ঈশিতার পরিবার।

এর আগের ঈশিতার মা কুসুমের বয়ান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে বলে খবর। কুসুম দাবি করেছিলেন যে, তিনি দেশরাজকে আগে চিনতেন না। কিন্তু অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, দেশরাজ তাঁদের পূর্ব পরিচিত ছিলেন। ঘটনার পরে কুসুম কেন তাঁর স্বামী ছাড়া অন‍্য কাউকে কিছু জানাননি এবং কেন তাৎক্ষণিক ভাবে পুলিশকে এড়িয়ে গিয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী। তাঁদের দাবি, এফআইআর আটকানোর জন্যই হয়তো তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য গোপন করেছিলেন। শুনানিতে কুসুমের বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি এবং পুলিশের উদ্ধার করা কার্তুজের খোল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এ দিনও করণের সাক্ষ্যের মাধ্যমে আইনজীবী বোঝাতে চান, যে পুলিশ ও পরিবারের বয়ানে বড়সড় ফাঁক রয়েছে। তবে নিহতের পরিবার এবং সরকারি কৌঁসুলি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে।

গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগর উইমেন্স কলেজ সংলগ্ন তাঁর নিজের বাড়িতে গুলি করে খুন করা হয় ঈশিতাকে। অভিযোগ, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা দেশরাজ গুলি করে খুন করেন ওই কলেজছাত্রীকে। এর পর নেপাল সীমান্ত থেকে ওই যুবককে গ্রফতার করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার হন তাঁর বাবা এবং মামাও। ওই দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযুক্তকে আশ্রয় এবং সাহায্যের অভিযোগ ওঠে।

Krishnanagar police investigation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy