প্রায় সাত বছর আগে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নির্যাতিতার বাবাকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা শোনালেন কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক। শুক্রবার বিচারক দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশও দেন। অনাদায়ে আরও দু’বছর করে কারাবাসের কথা জানিয়েছেন বিচারক।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজাদান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারক। শুক্রবার দুপুরে দোষী সাব্যস্ত অভিযুক্তকে সাজা শোনান তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্ত ওই নির্যাতিত তরুণীর প্রতিবেশী।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের ২৮ জুন নদিয়ার নবদ্বীপ থানা এলাকার দ্বাদশ শ্রেণির এক তরুণী রাত্রিবেলা বাইরে বেরোলে প্রতিবেশী এক যুবক মুখ বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে প্রায় সারারাত ধরে একাধিক বার ধর্ষণ করে। সরকারি আইনজীবী অনিন্দ্য চক্রবর্তী জানান, ঘটনার দিন মা-বাবার সঙ্গে বাড়িতে বসে গল্প করছিল ওই কিশোরী। এর পর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়েন, ওই কিশোরী কলপাড়ের দিকে একা যাচ্ছিল। সে সময় মুখ চাপা দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় ওই যুবক। ঘরের মধ্যে আটকে রেখে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। নির্যাতিতার বাবা বাধা দিতে গেলে পরবর্তীতে তাকেও আঘাত করা হয়। দু’জনকেই উদ্ধার করে ভর্তি করানো হয় নবদ্বীপ হাসপাতালে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নাবালিকা ধর্ষণ মামলা রুজু হয়। আজ ওই মামলার রায়দান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল।