Advertisement
E-Paper

নামেই নির্মল গ্রাম, ‘কাজ’ সব মাঠেই

আনন্দবাজারের পাঠকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মুরুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোয়ারা বিবি মণ্ডল। সঞ্চালনায় ছিলেন কল্লোল প্রামাণিক গোয়াবাড়ি হয়ে মুরুটিয়া থেকে বাজিতপুর পর্যন্ত ইটের রাস্তার হাল খারাপ। রাস্তা পাকা করা দরকার।

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০১৭ ০১:৩৫
পারাপার: ভৈরব পেরোতে এই বাঁশের সাঁকোই ভরসা। নিজস্ব চিত্র

পারাপার: ভৈরব পেরোতে এই বাঁশের সাঁকোই ভরসা। নিজস্ব চিত্র

গোয়াবাড়ি হয়ে মুরুটিয়া থেকে বাজিতপুর পর্যন্ত ইটের রাস্তার হাল খারাপ। রাস্তা পাকা করা দরকার।

মেহেবুব মণ্ডল, মাদপুর

প্রধান: মুরুটিয়া থেকে বাজিতপুর পর্যন্ত রাস্তার একটা অংশ করিমপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে পড়ে। আমাদের পঞ্চায়েতের রাস্তার কাজের প্রকল্প প্রশাসনকে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।

মাদপুর ও রসিকপুর ঘাটে ভৈরব নদীর পেরিয়ে যেতে মানুষকে ভরসা করতে হয় ভাঙা বাঁশের সাঁকোর উপর। পঞ্চায়েত একটি পাকা সাঁকো তৈরি করলে ভাল হয়।

শ্যামলেন্দু সিংহরায়, বালিয়াডাঙা

প্রধান: পাকা সেতু তৈরি করা পঞ্চায়েতের পক্ষে সম্ভব নয়। পঞ্চায়েত প্রশাসনকে জানিয়েছে।

আর্সেনিক, আয়রন-মুক্ত পানীয় জল সরবরাহের জন্য মাদপুরে এক কোটি টাকা ব্যয়ে একটা শোধনাগার তৈরি করা হয়েছিল। বছর দেড়েক হয়ে গেল, এখনও সেখান থেকে জল সরবরাহ শুরু হল না।

কাসেম আলি সেখ, মাদপুর

প্রধান: বিষয়টি জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর ও প্রশাসনকে জানিয়েছি।

এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভৈরব নদী। নদী সংস্কার তো হয়ই না, উল্টে নদীর মাঝের চর দখল করে মানুষ চাষ করছে। নদীটি সংস্কার হলে পঞ্চায়েতের প্রচুর চাষি ও মৎস্যজীবী মানুষের কর্ম সংস্থান হতো।

বিজয় হালদার, বালিয়াডাঙা

প্রধান: এ নিয়ে চিন্তা করছে পঞ্চায়েত। প্রতি স্কিমে প্রায় আট লক্ষ টাকা খরচ করে নদী সংস্কার করা হবে।

এক সময় একশো দিনের কাজে এলাকার বহু মানুষ কাজ পেত। কিন্তু বর্তমানে সে ভাবে একশো দিনের কাজ না হওয়ায় আর্থিক সংকটে ভুগছেন এলাকার মানুষ।

ইসমাইল শেখ, ভোগাইপুর

প্রধান: এলাকায় বেশির ভাগ রাস্তাই এখন ইটের। মাটি কাটার সুযোগ কম। কোনও গর্তের মাটিও দ্বিতীয়বার কাটা যাবে না। সে জন্য কাজ দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বাচ্চাদের সপ্তাহের তিন দিন ভাত ও তিন দিন খিচুড়ি খাওয়ানোর কথা হলেও কিছু কেন্দ্রে প্রতি দিন বাচ্চাদের খিচুড়ি দেওয়া হয়।

মনিরুল শেখ, মুরুটিয়া

প্রধান: অভিযোগের কথা জানলাম। স্থানীয় বিডিও ও সিডিপিওর সঙ্গে কথা বলবে পঞ্চায়েত।

পঞ্চায়েত এলাকা বা কাছাকাছি কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। সামান্যতম চিকিৎসার জন্য মানুষকে ছুটতে হয় ২০ কিলোমিটার দূরের নতিডাঙা বা ১৫ কিলোমিটার দূরের করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। বর্ষাকালে ও রাতবিরেতে রোগী নিয়ে যেতে সমস্যায় পড়েন বাসিন্দারা। একটি অ্যাম্বুল্যান্সের ভীষণ দরকার।

রুবেল মণ্ডল, মাদপুর

প্রধান: এটা বড় সমস্যা। আমরা আগেও জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি একটা অন্তত অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়ার কথা আবার কথা বলব।

এলাকার অনেকেই খাদ্য সুরক্ষার কার্ড পাননি। বহু গরিব মানুষই তাই দু’টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন না। অথচ ধনীরা কম দামে চাল পাচ্ছেন।

প্রশান্ত পাল, শঙ্খনগর

প্রধান:খাদ্য সুরক্ষার ডিজিটাল কার্ডে এমন অনেক সমস্যা রয়েছে। নতুন করে সমীক্ষা হওয়ার আগে সমাধান করা কঠিন। সবাই যাতে তাড়াতাড়ি কার্ড ও কম দামে চাল পান, তার জন্য খাদ্য দফতরকে জানিয়েছি।

বালিয়াডাঙা প্রাথমিক (বালক) বিদ্যালয়ে কোনও প্রাচীর নেই। বাচ্চারা স্কুল চত্বরে খেলা করে। কিন্তু সেখানে অনেকে গরু বেঁধে রাখে। ফলে নোংরা হয়। যে কোনও সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঈশ্বর চক্রবর্তী, বালিয়াডাঙা

প্রধান:স্কুল আমাদের জানিয়েছে। আমরাও বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। গরুর মালিককেও বারবার বলা হয়েছে। স্কুলের প্রাচীর তৈরি করার জন্য বিডিওকে জানাব।

বহু গরিব মানুষের নাম গীতাঞ্জলী আবাস যোজনা বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায় নেই। অথচ তারা সকলেই ঘর পাওয়ার যোগ্য।

কুদ্দুস মণ্ডল, মুরুটিয়া

প্রধান: খাদ্য সুরক্ষার সমীক্ষা অনুযায়ী বহু আগে নামের তালিকা তৈরি হয়েছিল। সর্বত্র এমন হয়েছে। একটি বুথে পাঁচশো জন বিপিএল তালিকা ভুক্ত হলেও মাত্র এগারো জনের নাম ওই তালিকায় এসেছে। তার মধ্যে ছ’জন গরিব নয়। নতুন করে সমীক্ষা না হলে কিছু করার নেই।

নদিয়া নির্মল জেলা হলেও অনেক দুঃস্থ মানুষের বাড়িতে শৌচালয় নেই।

ইউসুফ মল্লিক, শিঙাডাঙা

প্রধান:সেই সময় প্রত্যেক বাড়িতেই সরকারি সাহায্যে শৌচালয় বানানো হয়েছিল। এখন ওগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।

এলাকার বেশ কিছু টিউবয়েল অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত সারানোর উদ্যোগ নিচ্ছে না কেন?

বিপ্লব মণ্ডল, মাঠপাড়া

প্রধান:খুব শীঘ্র টিউবয়েলগুলো সারিয়ে দেওয়া হবে।

Nirmal Project
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy