লিচু বাগানে হাতবদল করার সময় পুলিশের জালে ধরা পড়ল প্রায় দু’হাজার বোতল ফেনসিডিল। নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ফেনসিডিল বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দু’জনকে। অন্য দিকে, শমসেরগঞ্জ থানা এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে ৬০ কেজি গাঁজা। পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই ব্যক্তিকে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে গাঁজা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থানার অন্তর্গত জয়রামপুর গ্রামে একটি লিচু বাগান থেকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আটটি বস্তায় প্রায় ২০০০ বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ফেনসিডিল-সহ দুই জনকে গ্রেফতার করে ফরাক্কা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালিয়াচক থেকে ফরাক্কার জয়রামপুর এলাকায় একটি লিচু বাগানে হাত বদলের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল ওই বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল। আর তার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন দুই পাচারকারী। ধৃতদের নাম মনসারুল হক (ফরাক্কা থানার জয়রামপুর এলাকার বাসিন্দা) এবং সেন্টু শেখ (শিবনগর মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা)।
শমসেরগঞ্জের পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ট্রাকে করে গোপনে গাঁজা পাচার করার সময় বিপুল পরিমাণ গাঁজা-সহ দুই ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে শমসেরগঞ্জ থানার তারাপুর এলাকার নুর মহম্মদ কলেজের সামনে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। এসওজি এবং শমসেরগঞ্জ থানার যৌথ অভিযানে প্রায় ৬০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম প্রদীপ সাহা এবং বাবলু শেখ। তাঁদের মধ্যে প্রদীপ সাহার বাড়ি নদিয়ার তেহট্ট এবং বাবলুর বাড়ি শমসেরগঞ্জ থানার গাজিনগর এলাকা। গাঁজা উত্তরবঙ্গের দিক থেকে দক্ষিণবঙ্গের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলেই জানিয়েছে পুলিশ। গাঁজা উদ্ধারের সময় তারাপুর এলাকার নুর মহম্মদ কলেজের সামনে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এলাকায় উপস্থিত ছিলেন ফরাক্কার এসডিপিও রাসপ্রীত সিংহ। গাঁজা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।