E-Paper

জেলার সর্বত্র শুরু হয়নি প্রকল্পের কাজ

জেলার একাধিক বিভিন্ন ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, তাঁদের এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। কবে শুরু হবে তা তাঁরা জানাতে পারেননি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৭:০১
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নির্দেশ ছিল বুধবার থেকে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (পুরনো একশো দিনের কাজের প্রকল্প) কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্পে কাজ শুরুর কথা জেলা প্রশাসন দাবি করলেও অনেক ব্লকেই তা শুরু হয়নি। জেলার একাধিক বিভিন্ন ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, তাঁদের এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। কবে শুরু হবে তা তাঁরা জানাতে পারেননি।

ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলার বাসিন্দারা। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের সব থেকে বেশি পরিযায়ী শ্রমিকের বাস মুর্শিদাবাদে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় স্তরে কাজ না থাকায় তাঁদের পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে ভিন্ রাজ্যে যেতে হয়। ভোটের আগে বিজেপি ঘোষণা করেছিল তাঁরা ক্ষমতায় এসে স্থানীয় স্তরে কাজের ব্যবস্থা করবে। অথচ বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প) জেলার অনেক এলাকা ব্রাত্য থাকল। যদিও বুধবার মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক আর অর্জুন বলেন, ‘‘আজ থেকেই ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প শুরু হয়েছে এই জেলায়।’’

রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক ঐক্য মঞ্চের রাজ্যের সম্পাদক আসিফ ফারুক বলেন, ‘‘জেলার সব ব্লকেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা উচিত। অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজে যান। ১২৫ দিনের প্রকল্প জেলার সর্বত্র শুরু হলে অন্যদের সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজে লাগবে।’’

জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদ জেলায় নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ। তাঁরা কেরল, মহারাষ্ট্র, ওডিশা, তামিলনাড়ু, দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজে যান। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। তাই তাঁদের ভিন্ রাজ্যে যেতে হয়। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে যে সামান্য আয়ের সুযোগ ছিল সেটাও ২০২২ সাল থেকে এ রাজ্যে বন্ধ রয়েছে। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পরে এরাজ্যে এ প্রকল্পে আর টাকা দেয়নি। যার জেরে সমস্ত কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

রাজ্যে পালাবদলের পরে নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রকল্প ‘বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন’ চালু হওয়ার কথা। প্রকল্পের ৬০ শতাংশ টাকা কেন্দ্রীয় সরকার এবং ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্যে সরকারের দেওয়ার কথা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের নির্দেশিকা মতো বুধবার থেকে এই প্রকল্প রাজ্যে চালু হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ, বেলডাঙা, হরিহরপাড়া, নওদা, জলঙ্গি সহ জেলার একাধিক ব্লকে এদিন এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Berhampore

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy