Advertisement
E-Paper

নেশা ছাড়ানোর নামে কিশোরকে পিটিয়ে খুন! কোচবিহারে চিকিৎসা কেন্দ্রে ভাঙচুর পরিবারের

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সইফুল আলি (১৭)। তার বাড়ি তুফানগঞ্জ-১ নম্বর ব্লকের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের কামাত ফুলবাড়ি এলাকায়।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:৩০

—প্রতীকী ছবি।

চিকিৎসার নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ নেশামুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ শহর লাগোয়া অন্দরান ফুলবাড়ী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকার ঘটনা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কিশোরকে উদ্ধার করে তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিশোরের মৃত্যুর পরেই নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভাঙচুর চালান পরিবারের লোক এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা। অভিযোগ, কিশোরকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। যার জেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সইফুল আলি (১৭)। তার বাড়ি তুফানগঞ্জ-১ নম্বর ব্লকের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের কামাত ফুলবাড়ি এলাকায়। তার মৃত্যুর ঘটনায় নেশামুক্তি কেন্দ্রের তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রের কর্ণধার জয়দেব সূত্রধর, কেয়ারটেকার সঞ্জয় দেবনাথ, চিকিৎসক নবীনকুমার সাহা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মদ, গাঁজার নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছিল সইফুল। নেশা ছাড়াতে সপ্তাহখানেক আগে পরিবারের লোকেরা তাকে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে রেখে আসেন। সেখান থেকে শুক্রবার সকালে পরিবারের লোকেদের কাছে ফোন যায়, কিশোরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের দাবি, পরে হাসপাতালে গিয়ে সইফুলের মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। অভিযোগ, সইফুলের শরীরে আগুনে পোড়ানোর দাগ ছিল। লোহার র়ড দিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। বেধ়ড়ক মারধরের ফলেই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মৃত কিশোরের বাবা করিম আলি বলেন, ‘‘আজ ভোরে নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে আমাকে ফোন করা হয়। জানায়, ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃতদেহ দেখি। ছেলেকে খুন করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।’’

কিশোরের মৃত্যুর খবর জানতে পেরেই নেশামুক্তি কেন্দ্রে যান পরিবারের লোকেরা। তাঁদের বিরুদ্ধে সেখানে ভাঙচুর চালানোরও অভিযোগ উঠেছে। আত্মীয় ও প্রতিবেশীরা ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়। জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে তিন জনকে। তদন্ত চলছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy