Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২১ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ফের সফল অস্ত্রোপচার

বাড়ির লোকেরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বুঝেছিলেন যুবকের পা ঠিক করতে হলে জটিল অস্ত্রোপচারে মজ্জার ভিতরে রড ঢোকাতে হবে৷

নিজস্ব সংবাদদাতা
জলপাইগুড়ি ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:০৫
Save
Something isn't right! Please refresh.
আশা: আবার হাঁটতে পারবেন দুলাল সরকার। নিজস্ব চিত্র

আশা: আবার হাঁটতে পারবেন দুলাল সরকার। নিজস্ব চিত্র

Popup Close

জটিল অস্ত্রোপচারে ফের সফল সরকারি হাসপাতাল৷ এ বার জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ঘটনা৷

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের কিছু সরকারি হাসপাতালে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। এ বার সেই তালিকায় নাম উঠল জলপাইগুড়িরও।

এ মাসের শুরুর দিকে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন কুড়ি বছরের যুবক দুলাল সরকার৷ বাঁ পায়ে হাঁটু ও গোড়ালির মাঝে দু’টি হাড় ভেঙে গিয়েছিল৷ বাড়ির লোকেরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বুঝেছিলেন যুবকের পা ঠিক করতে হলে জটিল অস্ত্রোপচারে মজ্জার ভিতরে রড ঢোকাতে হবে৷

Advertisement

কিন্তু জলপাইগুড়ি জেলার সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় এমন পরিকাঠামো থাকলেও, আগে এ ধরনের অস্ত্রোপচার এখানে হয়নি৷ তাই ঝুঁকি না নিয়ে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসকরা রোগীকে বাইরে নিয়ে যাওয়ারই পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ কিন্তু রাজমিস্ত্রির কাজ করা ওই যুবকের একার আয়ে চলা তাঁর পরিবার। তাঁকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল না৷ যা বুঝতে পারেন চিকিৎসকরাও৷ তাই শেষ পর্যন্ত জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেই ওই যুবকের পায়ে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা৷ বুধবার দেড় ঘন্টার চেষ্টায় সফল ভাবে হয় সেই অস্ত্রোপচারও৷

প্রথমবারেই এই অস্ত্রোপচারে সাফল্য পেয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের রোগীকে আর বাইরে না পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

চিকিৎসকদের পরিভাষায় এই অস্ত্রোপচারের নাম টাইটেনিয়াম এলাস্টিক নেইল সিস্টেম৷ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের দুই চিকিৎসক কমলেশ বিশ্বাস ও অনুপম সাহার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল গড়া হয়েছিল৷ হাসপাতালের আট তলায় বুধবার দুপুরে এই অস্ত্রোপচার শেষ হয়৷ কমলেশবাবুর কথায়, কোনও কাটা ছেঁড়া না করে, শুধু গোড়ালির দু’দিকে দু’টো ফুটো করে টাইটেনিয়ামের দু’টি রড হাড়ের মজ্জাগ্রন্থির ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এই অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় সি আর্ম মেশিন জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে এর আগেও ছিল৷ কিন্তু তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক পরিকাঠামো ছিল না৷ অনুপমবাবুর কথায়, হাড়ের মধ্য দিয়ে রডটা ঢোকানোর সময়, হাড়টা ফুটো পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে৷ ফলে এই অস্ত্রোপচার যথেষ্টই ঝুঁকিরও৷

কমলেশবাবুও জানান, মাস দেড়েক পর থেকেই যুবককে হাঁটানোর চেষ্টা শুরু হবে৷ চিকিৎসকরা জানান, বেসরকারি পরিকাঠামোয় এ ধরনের অস্ত্রোপচারে দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা খরচ হয়ে যায়৷ যুবকের মা সরোজিনী সরকার বলেন, ‘‘এত টাকা জোগারের ক্ষমতা নেই৷ আমরা চির কৃতজ্ঞ থাকব৷’’



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement