Advertisement
E-Paper

Budget Session: বরাদ্দ বাড়ল উত্তরের খাতে

বিশেষ করে পথকরে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছাড়ে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত পরিবহণ ব্যবসা উপকৃত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২১ ০৬:১৮
বরাদ্দ বাড়লও চা বাগানের বিষয়ে আলাদা কিছু বলা নেই

বরাদ্দ বাড়লও চা বাগানের বিষয়ে আলাদা কিছু বলা নেই

রাজ্য বাজেটে হলেই উত্তরবঙ্গের ঝুলিতে কী মিলছে, তা নিয়ে উৎসাহী হন সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোগীরা সকলেই। সেই মতো বুধবার রাজ্য বাজেটে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের বরাদ্দ বৃদ্ধি বাজেটে বড় প্রাপ্তি বলেই মনে করা হচ্ছে। গত আর্থিক বছরে এই দফতরের বরাদ্দ ছিল ৭০০ কোটি টাকা। এই আর্থিক বছরে বাজেটে তা বাড়িয়ে ৭৭৬.৫১ কোটি টাকা করার খুশির হাওয়া শাসক শিবিরে। তাদের যুক্তি, এই দফতরের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের নানা কাজ হয়ে থাকে। তাই বাজেট বরাদ্দে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি স্বাগত। যদিও বিরোধীদের দাবি, উত্তরবঙ্গ কিছুই পেল না। আলাদা করে চা বাগানের জন্য কী মিলল, সে সব নিয়ে স্পষ্ট চিত্র না থাকায় অনেকের আক্ষেপ রয়েছে।

তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা বলেন, ‘‘বাজেটে উত্তবঙ্গ বঞ্চিত করা হয়েছে।’’ প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, ‘‘মনে রাখতে হবে ভোট অন অ্যাকাউন্টের সময় একটা বাজেট করা হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গের জন্য নানা প্রকল্পের কথা রয়েছে। সেই কাজগুলি কিন্তু এই বাজেটে চলবে। ইস্তাহারে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, বেছে বেছে সেগুলোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।’’ বাজেট নিয়ে আশাবাদী প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষও। তিনি বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর যে বার চালু হয়, বরাদ্দ ছিল ১৮০ কোটি টাকা। ধাপে ধাপে বরাদ্দ বাড়ছে।’’

অন্য দিকে পথকরে ছাড় বা জমি, বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ‘স্ট্যাম্প ডিউটি’তে নির্দিষ্ট সময় মতো যে ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে রাজ্যের অন্যান্য অংশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উপকৃত হবে বলেই ব্যবসায়ী বাসিন্দারা মনে করছেন। বিশেষ করে পথকরে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছাড়ে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত পরিবহণ ব্যবসা উপকৃত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে পর্যটনে যুক্ত পরিবহণ ব্যবসায়ীরা অনেকেই গাড়ির ঋণ শোধ করতে পারছিলেন না। তাঁদের সুবিধা হবে। নর্থবেঙ্গল প্যাসেঞ্জার্স ট্রান্সপোর্ট ওনার্স কোঅর্ডিনেশন কমিটি সম্পাদক প্রণব মানির দাবি, ‘‘পথকরে ছাড় যাতে গাড়িগুলি পায় তা দখতে হবে। তবে ডিজেলের দামে নিয়ন্ত্রণ না হলে বা ভাড়া না বাড়লে সমস্যা মিটবে না।’’

কনফেডারেশন অব রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার উত্তরবঙ্গ চ্যাপ্টারের অন্যতম কর্মকর্তা সন্দীপ গোয়েলের কথায়, ‘‘স্ট্যাম্প ডিউটি এবং জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটের সরকারি মূল্যে ছাড়ে উত্তরবঙ্গের নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।’’

ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডার্স্টিজ, নর্থবেঙ্গল-এর সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘‘ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য বরাদ্দ বেড়েছে। উত্তরবঙ্গের শিল্পমহলও তাতে উপকৃত হবে।’’ তবে ক্ষুদ্র চা চাষিদের সর্বভারতীয় সংগঠনের মুখপাত্র বিজয়গোপাল চক্রবর্তীর আক্ষেপ, ‘‘চা শিল্পে আলাদা বরাদ্দ নেই। কৃষি আয়কর, সেস মুকুবেরও উল্লেখ নেই।’’ সিআইআইয়ের উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান সঞ্জয় টিবরেয়ালের কথায়, ‘‘বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে মানুষের হাতে টাকা গেলে তা পরোক্ষে ব্যবসা, শিল্পের উন্নয়নে সহায়ক হবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy