Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২১ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

একদিনে ১১৯!

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের অধ্যক্ষ প্রবীর কুমার দেব বলেন, ‘‘বিকেল পর্যন্ত ১১৯ জন ইস্তফা দিয়েছেন। বিষয়টি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার কাছে পাঠানো হচ

নিজস্ব সংবাদদাতা
শিলিগুড়ি ১৫ জুন ২০১৯ ০৫:৫২
Save
Something isn't right! Please refresh.
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।

Popup Close

এনআরএসে চিকিৎসক নিগ্রহ এবং চিকিৎসকদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতি না দেখানোর প্রতিবাদে এ বার গণ ইস্তফা দিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত মেডিক্যালের অন্তত ১১৯ জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন। এর মধ্যে মেডিসিন বিভাগের ১২ জন চিকিৎসক রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন মেডিসিন বিভাগের প্রধানও। এ দিনই মনোরোগ বিভাগের প্রধান নির্মল বেরা ও ওই বিভাগেরই আরও তিন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন। ইস্তফাপত্র দিয়েছেন ইউরোলজির চিকিৎসক বিশ্বজিৎ দত্ত। এই তালিকায় রয়েছেন কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসকও।

এ দিন নির্মল বেরা এবং মনোরোগ বিভাগেরই চিকিৎসক উত্তম মজুমদার সবার প্রথমে বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ অধ্যক্ষের দফতরে ইস্তফা দেন। এরপরে বৈঠক করে চিকিৎসকরা একযোগে ইস্তফাপত্রে সই করে অধ্যক্ষের হাতে তুলে দেন। তখনই ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন মেডিক্যালের অধ্যক্ষ প্রবীরকুমার দেব ও সুপার কৌশিক সমাজদারও। চিকিৎসকদের ইস্তফাপত্রগুলো এ দিন স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তার দফতরে পাঠান তাঁরা। এ দিনই বৈঠক করে সমাধানের পথ খুঁজতে চিকিৎসকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানোর দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসকরা যে কেউই রোগীদের বিপক্ষে নন সেই বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের অধ্যক্ষ প্রবীর কুমার দেব বলেন, ‘‘বিকেল পর্যন্ত ১১৯ জন ইস্তফা দিয়েছেন। বিষয়টি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার কাছে পাঠানো হচ্ছে।’’ সুপার কৌশিক সমাজদার বলেন, ‘‘জুনিয়র চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি করছেন, বাকি চিকিৎসকদের দিয়ে কোনওরকমে অন্তর্বিভাগ এবং জরুরি পরিষেবা চালু রাখছি। ২৪ ঘণ্টা কাটলেও যখন অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি তখন চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন গণ ইস্তফা দেওয়ার।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ইস্তফা দেওয়া মানেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। জরুরি পরিষেবা যেমন চালু আছে সেটা রাখার চেষ্টা করব।’’

Advertisement


Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement