Advertisement
E-Paper

Raju Bista: বিস্তা মন্ত্রী না হওয়ায় হতাশ পাহাড় বিজেপি

যশোবন্ত সিংহ, সুরেন্দ্র সিংহ অহলুওয়ালিয়ার পর দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ হয়েছেন রাজু বিস্তা।

কৌশিক চৌধুরী

শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২১ ০৬:২৫
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নামই এল না দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তার। বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদীর সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় নিশীথ প্রামাণিক, জন বার্লারা জায়গা পেলেন। দলীয় সূত্রের খবর, জয়ন্ত রায়, দেবশ্রী চৌধুরী, বাবুল সুপ্রিয়দের মতো সাংসদের নাম নিয়ে দলীয় স্তরে কাটাছেঁড়া হলেও বিস্তার নাম সে ভাবে আলোচনায় আসেইনি। বিধানসভায় দার্জিলিং জেলায় ৬টি আসনে ৫টি জিতেও বয়সে নবীন বিস্তার মন্ত্রিগোষ্ঠীতে জায়গা না হওয়ায় জেলার একাংশ বিজেপি নেতা হতাশ।

তবে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর নেতারা জানাচ্ছেন, পাহাড়ের রাজনীতির সঙ্গে আগামী শিলিগুড়ি পুরসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংসদের সক্রিয়তা দলে কাজ লাগানোর কথা বলা হচ্ছে। ভোট পরিচালনায় তিনি অন্যতম ভূমিকা নেবেন। তাই এ বারের মতো দিল্লি যাওয়া তাঁর হল না। দলের জেলার সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন মণ্ডল বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মন্ত্রিসভায় যাঁকে যোগ্য এবং প্রয়োজন মনে করেছেন তাঁকেই দায়িত্ব দিয়েছেন। এটা নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের সাংসদ দলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয় দেখভাল করছেন।’’

দলীয় সূ্ত্রের খবর, যশোবন্ত সিংহ, সুরেন্দ্র সিংহ অহলুওয়ালিয়ার পর দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ হয়েছেন রাজু বিস্তা। ২০১৯ সালে মোর্চা নেতা বিমল গুরুঙের সক্রিয় সমর্থনে তিনি পাহাড়ে বিরাট জয় পান। সমতল ও পাহাড় মিলিয়ে বড় মার্জিনে জেতেন। আদতে শিল্পপতি রাজু বিস্তার সঙ্গে দিল্লিতে বিজেপির অন্দরের বরাবর ভাল যোগাযোগ। অমিত শাহ থেকে শুরু করে মোদী, জেপি নড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, নিতিন গডকড়ীদের মতো নেতাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল। আবার আরএসএস নেতৃত্বের কাছেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই অবস্থায় তিনি কোনও মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারেন, তা দলের অন্দরে অনেকেই ভেবেছিলেন।

কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে ভাবেননি তা বুধবার বিকেলেই স্পষ্ট হয়ে যায়। আপাতত সাংসদ এলাকার উন্নয়নের কাজ এবং সাংগঠনিক কাজে মন দেবেন বলে নেতৃত্ব মনে করছেন। বিশেষ করে এ জেলার পাঁচজন বিজেপি বিধায়কের মধ্যে চারজনই প্রথমবারের বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে তিনজন অন্য দল থেকে আগত। দার্জিলিঙের বিধায়ক জিএনএলএফ নেতা। পাহাড়ে এমনিতেই বিজেপি ভোটে জিততেও বিনয় তামাং, বিমল গুরুংরা তৃণমূলের দিকে থাকায় দল পিছনের সারিতে। ভোট কাটাকাটি ছাড়া তাঁদের জেতার কোনও সম্ভাবনা ছিল না। সাংসদকে তাই পাহাড়কে আলাদা করে দেখার নির্দেশ রয়েছে। তেমনই, সমতলের নেতাদের নিয়ে শিলিগুড়ি পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy