Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১২ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Crime: টাকা গায়েব, চাকরি মেলেনি! ফেরত চাইতেই পিস্তল উঁচিয়ে হুমকি, হইচই কোচবিহারে

টাকা ফেরত চাইতেই গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োর সত্যতা যদিও আনন্দবাজার অনলাইন যাচাই করেনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কোচবিহার ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১৮:৪৮
Save
Something isn't right! Please refresh.
পিস্তল উঁচিয়ে মেরে ফেলার হুমকি।

পিস্তল উঁচিয়ে মেরে ফেলার হুমকি।
—নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

হাতে পিস্তল। কারও দিকে একটা তাক করে পায়ে পায়ে পিছিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। গুলি করে মেরে ফেলার হুমকিও শোনা যাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় এমনই এক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে কোচবিহারে। কারও কারও অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওই ব্যক্তি একাধিক জনের থেকে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু চাকরি কারও হয়নি। এ বার সেই টাকা ফেরত চাইতেই গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োর সত্যতা যদিও আনন্দবাজার অনলাইন যাচাই করেনি।
সোমবার সন্ধ্যায় ওই ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছে। কোচবিহারে পুন্ডিবাড়ি এলাকার এই ঘটনা বলেই অনেকের দাবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। পুন্ডিবাড়ির কয়েক জনের দাবি, চাকরি দেওয়ার নাম করে এলাকার বেশ কয়েক জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা অজিত সরকার এবং কিশোর সরকারের বিরুদ্ধে। তবে তাঁদের টাকা দেওয়ার পরেও কারও চাকরি হয়নি।

এ বার সেই টাকা ফেরত চাইছেন স্থানীয়রা। সেই তালিকায় পুন্ডিবাড়ির যুবক সাগর রায়ও রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, রবিবার সন্ধ্যায় সাগরকে একটি ধাবার সামনে পেয়ে অজিতের বাবা নরোত্তম সরকার প্রকাশ্যে পিস্তল বার করে তাঁকে গুলি করার চেষ্টা করেন। সোমবার সাগর পুন্ডিবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

সোমবার সাগর আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন, ‘‘চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা তুলেছেন ওই দু’জন। সকলকে নিয়ে একটা বৈঠক হয়েছিল। সেখানে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন অভিযুক্তেরা। কিন্তু তাঁরা যে চেক দেন, তা বাউন্স হয়ে যায়। রবিবার সন্ধ্যায় পুন্ডিবাড়ির একটি ধাবার সামনে অজিতের বাবা নরোত্তম পিস্তল বার করে আমাকে গুলি করে মারার চেষ্টা করেন। আশেপাশে থাকা বাসিন্দারা এগিয়ে এসে আমাকে বাঁচিয়েছেন।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement