Advertisement
E-Paper

বন্ধ হয়ে গেল কোচবিহার-কলকাতার বিমান পরিষেবা! চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই থামল উড়ান

উড়ান পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের ব্যবসায়ীদের একাংশ। তাঁদের মতে, উড়ান পরিষেবা চালু থাকলে সহজেই ব্যবসার কাজে দক্ষিণবঙ্গে যাওয়া যায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৯
কোচবিহার বিমানবন্দরে বন্ধ হল উড়ান পরিষেবা।

কোচবিহার বিমানবন্দরে বন্ধ হল উড়ান পরিষেবা। — নিজস্ব চিত্র।

পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল কোচবিহার-কলকাতা উড়ান পরিষেবা। ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার নামক সংস্থার তিন বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেল ৩১ জানুয়ারি, শনিবার। তবে তার আগেই বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

গত ৮ জানুয়ারি এক বারই কোচবিহার বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা করেছিল। এর পর থেকে ধীরে ধীরে বিমান সংস্থা একে একে তাদের কর্মীদের সরাতে শুরু করে। গোটাতে শুরু করে স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি। কেন্দ্রীয় সরকারের উড়ান প্রকল্পের আওতায় কোচবিহার থেকে কলকাতা— এই পথে উড়ান পরিষেবা তিন বছরের চুক্তিতে চালু হয়েছিল। ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল পরিষেবা। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শনিবার বন্ধ হল পরিষেবা।

গত ১০ জানুয়ারি কোচবিহার সফরে গিয়ে বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ওই দিন বিমানবন্দরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আগামী দিনে বিমানবন্দরকে সচল কী ভাবে রাখা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করেন। শমীক জানিয়েছিলেন, এই নিয়ে তিনি রাজ্যসভাতেও সরব হয়েছিলেন।

উড়ান পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের ব্যবসায়ীদের একাংশ। তাঁদের মতে, উড়ান পরিষেবা চালু থাকলে সহজেই ব্যবসার কাজে দক্ষিণবঙ্গে যাওয়া যায়। জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুরজ ঘোষ বলেন, ‘‘আমাদের ব্যবসায়ীদের কাছে এবং কোচবিহারবাসীর কাছে এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার। এই বিমান পরিষেবা যাতে চালু থাকে সেই বিষয়ে আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে লিখিত ভাবে জানিয়েছিলাম।’’ তাঁদের আরও দাবি, অন্য কোন বিমান সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আবার বিমান পরিষেবা চালু হোক।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, ‘‘এই বিমানবন্দরটি আরও ভাল ভাবে তৈরি করে আরও বেশি আসনের বিমান ওঠানামা করানো উচিত ছিল। তা না করে ছোট বিমান চালিয়ে লাভজনক হচ্ছে না বলে, পুরো পরিষেবা বন্ধ করে দিল। এটা হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র বুদ্ধি। যাঁদের দায়িত্ব, তাঁরা বড় বড় কথা না বলে কাজ করুক।’’

এ বিষয়ে কোচবিহার বিমানবন্দর আধিকারিক (এয়ারপোর্ট অথরিটি ডিরেক্টর) শুভাশিস পাল জানান, উড়ান প্রকল্পে নয় আসনের বিমান চলাচল করত। ইতিমধ্যে সরকারের তরফ থেকে টিকিটে ভর্তুকি দেওয়ার মেয়াদ ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বাড়িয়ে ১৮ মে পর্যন্ত করা হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষের আগেই সংশ্লিষ্ট বিমান কর্তৃপক্ষ তাদের পরিষেবা বন্ধ করে দিলেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy