গাজলের আদিনা মসজিদের পিছন দিকে একটি পর্যটক আবাস তৈরি করতে চাইছে পর্যটন দফতর। বৃহস্পতিবার মালদহের গৌড় ও আদিনার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে এ কথা বলেন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানি। তিনি বলেন, ‘‘মসজিদের পিছন দিকে সেচ দফতরের একটি ভবন অধিগ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে একটি অত্যাধুনিক পর্যটক আবাস আমরা তৈরি করব। আদিনা মসজিদে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো খুব শীঘ্রই চালু হয়ে যাবে।’’
এ দিকে জেলার বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তা বেহাল থাকায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘মালদহে পর্যটকদের আকর্ষণ করার প্রচুর দর্শনীয় কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু সেগুলির বিভিন্ন পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দফতরের মন্ত্রী গৌতম দেবের পরামর্শে আমি সেইসব সমস্যা বোঝার চেষ্টা করছি। সেগুলি দূর করা হবে।’’
এ দিন মন্ত্রী যখন গৌড়ের লোটন মসজিদ ঘুরে দেখছিলেন সে সময় ইংল্যান্ডের দুই পর্যটক ইয়ান কলিন্স ও ক্যারোল ব্রাইটসও সেখানে আসেন। মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গেও কথা বলে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না তার খোঁজ নেন। মন্ত্রীকে অবশ্য তাঁরা কোনও সমস্যার কথা জানাননি।
পর্যটন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এ দিন প্রথম মালদহ জেলা সফরে আসেন পাশের জেলারই বিধায়ক গোলাম রব্বানি। এ দিন তিনি তৃণমূলের মালদহ জেলার সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমে গৌড়ে যান। সেখানে গিয়ে মহদিপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা কোতোয়ালি দরওয়াজা ঘুরে দেখেন. তারপর একে একে বড় সোনা মসজিদ, ফিরোজ মিনার, দাখিল দরওয়াজা, লোটন মসজিদ ঘুরে দেখেন। এ দিকে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে দলের জেলা সভাপতির থাকা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘‘উনি নানা সরকারি পদে রয়েছেন। জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলির বিকাশে তিনিও বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন।’’ মোয়াজ্জেম সাহেব বলেন, ‘‘দলীয় পদে থেকে নয়, আমি সরকারি বিভিন্ন পদাধিকারী হিসেবেই মন্ত্রীর সঙ্গে গিয়েছি। এ নিয়ে বিতর্কের কী আছে!’’