E-Paper

শিবিরে করে পরীক্ষার বন্দোবস্ত সংসদের

সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে থেকেই দুই-এক জন করে উচ্চ মাধ্যমিকের পড়ুয়া সংসদের অফিসে যাচ্ছিলেন। তাঁদের কেউ রেজিস্ট্রেশন করেননি।

সৌমিত্র কুন্ডু

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:৩৪
—প্রতীকী চিত্র।

—প্রতীকী চিত্র।

শেষ বেলায় রীতি মতো শিবির করে উত্তরবঙ্গের শতাধিক পড়ুয়াকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসানোর ব্যবস্থা করা হল। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যালয়ের তরফে ওই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের কেউ পরীযায়ী শ্রমিক, কারও অ্যাডমিট কার্ড আসেনি, কারও রেজিস্ট্রেশন হয়নি। বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রেশন না করা কয়েক জন পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা এসেছিলেন সংসদের উত্তরবঙ্গ কার্যালয়ে। তবে শেষ বেলায় তাদেরগুলো করার উপায় ছিল না।

পাহাড়ে প্রত্যন্ত এলাকায় দুটো নতুন পরীক্ষা কেন্দ্র চালু হল এ বছর। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা উপসচিব অশোককুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘অনেকেই শেষ সময়ে নানা সমস্যা নিয়ে আসছেন দেখে, সংসদের সভাপতির সঙ্গে কথা বলি। তিনি সম্মত হলে সোমবার এবং মঙ্গলবার শিবির করে পড়ুয়াদের অনেককে পরীক্ষায় বসার ব্যবস্থা তথা রেজিস্ট্রেশন, অ্যাডমিট কার্ড করে দেওয়া হয়েছে।’’

সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে থেকেই দুই-এক জন করে উচ্চ মাধ্যমিকের পড়ুয়া সংসদের অফিসে যাচ্ছিলেন। তাঁদের কেউ রেজিস্ট্রেশন করেননি। স্কুলে ভর্তি হয়ে বাইরে পরীযায়ী শ্রমিক হয়ে কাজ করতে চলে গিয়েছিলেন। এখন ফিরে এসে পরীক্ষায় বসতে চাইছেন। আবার অনেকের অ্যাডমিট কার্ড আসেনি। কেউ ফর্ম ভরেননি। তাঁদের সদিচ্ছার কথা ভেবেই সংসদ ব্যবস্থা নেন। তেমন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে দেখে শিবির করে তা করার ব্যবস্থা করা হয়। শিবমন্দিরে সংসদের আঞ্চলিক কার্যালয়ে সোমবার এবং মঙ্গলবার শিবির হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন করে এসেছিলেন ওই দু’দিনে।

সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, পাহাড়ে প্রত্যন্ত এলাকায় পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সুখিয়াপোখরি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এবং বিজনবাড়ির বিদ্যাসাগর স্কুলে নতুন কেন্দ্র করা হয়েছে এ বছরে। সুখিয়া হাই স্কুলে এ বছর ৪১৩ জন এবং বিজনবাড়ি স্কুলে ৪৭৭ পরীক্ষা দেবেন। দার্জিলিং পাহাড়ে পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক মিলন তামাং বলেন, ‘‘রিম্বিক, সুখিয়াপোখরির মতো জায়গা থেকে পরীক্ষার্থীদের দার্জিলিং শহরে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হত। এখন সমস্যা মিটবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

North Bengal

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy