Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০১ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

পদাতিক আর না থামায় ক্ষোভ শহরে

৩১ জানুয়ারির সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় জলপাইগুড়ি রোড স্টেশন থেকে উঠে গিয়েছে পদাতিক এক্সপ্রেসের স্টপ৷ তাই ফের একবার আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে

নিজস্ব সংবাদদাতা
জলপাইগুড়ি ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৩:৩০
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

দিনটা ছিল গত বছরের ১০ নভেম্বর৷ শিয়ালদহ থেকে আসা পদাতিক এক্সপ্রেস জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে ঢুকতেই তাকে স্বাগত জানাতে কার্যত প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে৷ ডান-বাম সব দলের তরফেই সেদিন দাবি করা হয়েছিল, তাদের দীর্ঘ আন্দোলনের জেরেই নাকি পদাতিক এক্সপ্রেস থামছে জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে৷

কিন্তু এ বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বদলে গিয়েছে ছবিটা৷ ৩১ জানুয়ারির সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় জলপাইগুড়ি রোড স্টেশন থেকে উঠে গিয়েছে পদাতিক এক্সপ্রেসের স্টপ৷ তাই ফের একবার আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে৷ কেউ কেউ ইতিমধ্যে রাস্তায় নেমেও পড়েছেন৷

জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে স্থায়ীভাবে পদাতিক এক্সপ্রেসের স্টপের দাবিতে শনিবার শহরে সই সংগ্রহ অভিযানে নেমেছিল বিজেপি৷ এ দিন দলের তরফে কদমতলা মোড়, সমাজপাড়া মোড় ছাড়াও জলপাইগুড়ি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই সই সংগ্রহ অভিযানে নামা হয়৷ বিজেপির জেলা সভাপতি দেবাশিস চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমরা দিল্লিতে রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি করেছিলাম বলেই জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে পদাতিক এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু রেলের কিছু আমলার জন্যই সেই স্টপেজ ফের তুলে নেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি৷ সই সংগ্রহ অভিযান শেষ হলেই আমরা দিল্লিতে গিয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেব৷’’

Advertisement

পদাতিক এক্সপ্রেসের স্থায়ী স্টপের দাবিতে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেছে তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএমও৷

তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি জলপাইগুড়িতে ভোট পায় না৷ তাই তাদের সরকার এখানকার মানুষকে পরিষেবাও দেয় না৷ কিন্তু আমরা এটা হতে দেব না৷

মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর শেষ হলেই পদাতিক এক্সপ্রেসের স্টপ তুলে দেওয়া নিয়ে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব৷’’ সিপিএমের জলপাইগুড়ি সদর এরিয়া কমিটির সম্পাদক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘জলপাইগুড়ি বিভাগীয় শহর৷ এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হয়েছে৷ হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চও তৈরি হচ্ছে৷ এই অবস্থায় রেলের এই তুঘলকি সিদ্ধান্ত মানা কখনওই সম্ভব নয়৷’’ বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে কংগ্রেস ও তাদের শাখা সংগঠনও৷

ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি প্রদীপ্ত দাস বলেন, ‘‘রেলের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শীঘ্রই রেল রোকোর মত আন্দোলনে নামা হবে৷’’

তবে শুধু রাজনৈতিক দলগুলিই নয়৷ কিছুদিনের জন্য স্টপ দিয়েও তা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রায় গোটা জলপাইগুড়িই৷ তবে রেলের এক কর্তা বলেন, পদাতিক এক্সপ্রেসের চাহিদা কতটা রয়েছে তা দেখতেই জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে নভেম্বরের ১০ তারিখ থেকে ট্রেনটির স্টপ দেওয়া হয়েছিল৷ তখনই ঠিক ছিল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই স্টপ থাকবে৷ হয়তো চাহিদা যতটা ভাবা হয়েছিল তত সংখ্যায় যাত্রী না হওয়াতেই সময়সীমার পর স্টপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ তবে জলপাইগুড়িবাসীর দাবিটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement