এআইআর আবহে দুই দেশের নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম উত্তমকুমার শ্রেষ্ঠা।
জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে পানিট্যাঙ্কির ইন্দো-নেপাল সীমান্তের মেচি নদীর সেতু সংলগ্ন এলাকা দিয়ে নেপালে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন উত্তম। ঠিক তখনই সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর নজরে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসএসবি। তল্লাশি চালাতেই অভিযুক্তের কাছ থেকে নেপাল এবং ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র মেলে। এর পর খড়িবাড়ি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, পূর্ব সিকিম হয়ে নেপালে প্রবেশ করছিলেন উত্তম। তাঁর কাছে ভারতীয় ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স যেমন রয়েছে, তেমনই পাওয়া গিয়েছে নেপালের পরিচয়পত্রও। কী ভাবে এবং কী কারণে দুই দেশের পরিচয়পত্র পেয়ে ঘোরাঘুরি করছেন তিন, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট জবাব পাননি তদন্তকারীরা। আদতে ওই ব্যক্তি কোন দেশের বাসিন্দা, সে সম্পর্কেও সঠিক তথ্য মেলেনি। বুধবার ধৃতকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয়। নকশালবাড়ির এসডিপিও সৌম্যজিৎ রায় বলেন, ‘‘অভিযুক্তের তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।’’
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা নিয়ে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক মঞ্চ। অভিযোগ, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা যেমন পশ্চিমবঙ্গে গা-ঢাকা দিয়ে আছেন, তেমন নেপাল সীমান্ত দিয়েও অনুপ্রবেশ হয়। বিশেষ করে পানিট্যাঙ্কির ইন্দো-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া এমন বহু গ্রাম রয়েছে যেখানে নেপালের নাগরিকদের বসবাস রয়েছে। উন্মুক্ত সীমান্ত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালের নাগরিকদেরও যে দু’দেশের নাগরিক পরিচয় পাওয়া যাবে না, এমন আশঙ্কা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।