নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের গ্রামে। অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ঢিলে আহত থানার ওসি। ইতিমধ্যে ধর্ষণে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু তাঁর শাস্তির দাবিতে এলাকায় বন্ধ পালন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্য দিকে, পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন আট জন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশে নদীর ধারে গিয়েছিল ১১ বছরের এক বালিকা। অভিযোগ, সেই সময় এক বৃদ্ধ ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে মেয়েটিকে ভয় দেখায় এবং তাকে ধর্ষণ করে। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এক মহিলা। তিনি ওই নাবালিকাটিকে উদ্ধার করেন।
অভিযুক্তের হুমকির পরেও ‘নির্যাতিতা’র পরিবার মেখলিগঞ্জ থানায় অভিযোগক করেছে। তার পরেও অভিযুক্তকে ধরা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। শনিবার রাত থেকে এ নিয়ে উত্তপ্ত হতে শুরু করে এলাকা। স্থানীয় বাজারে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ যায়। তখন আরও উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশের দিকে ইট ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। আহত হন ওসি। হালকা লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
রবিবার ১২ ঘণ্টার বন্ধ ডাকা হয়েছে এলাকায়। দোকানপাট বন্ধ। মাথভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে এলাকায় টহল দেয় পুলিশ। এখন ওই এলাকা থমথমে। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে ধর্ষণ ঘটনার আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তার ভিত্তিতে পকসো আইনে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে আরও আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’