Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

জামিন মিলল না সাস্মিতার

প্রশাসনের কয়েকজন কর্তাকে বাঁচাতেই তাকে ‘বলি’ দেওয়া হয়েছে বলে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিযোগ করেছিলেন সাস্মিতা ঘোষ৷ গ্রেফতারের পর এ দিন আদ

নিজস্ব সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা ০৮ মার্চ ২০১৭ ০২:২০
Save
Something isn't right! Please refresh.
তদন্তে: দিল্লির শিশু সুরক্ষা আয়োগের সদস্যরা। নিজস্ব চিত্র

তদন্তে: দিল্লির শিশু সুরক্ষা আয়োগের সদস্যরা। নিজস্ব চিত্র

Popup Close

প্রশাসনের কয়েকজন কর্তাকে বাঁচাতেই তাকে ‘বলি’ দেওয়া হয়েছে বলে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিযোগ করেছিলেন সাস্মিতা ঘোষ৷ গ্রেফতারের পর এ দিন আদালতে পেশ করার সময় সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে গোটা ঘটনায় জলপাইগুড়ির এক প্রাক্তন জেলাশাসকের সম্পর্ক রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি৷ আদালত এ দিন সাস্মিতার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। তাঁকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে৷

এ দিন জলপাইগুড়ি আদালতে নিয়ে আসার সময় সংবাদ মাধ্যমের উদ্দেশ্যে সাস্মিতা বলেন, “সরকারি নির্দেশেই কাজ করেছি৷ যদি তা ভুল হয়ে থাকে, তবে যাঁরা নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করুন৷” সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আগের জেলাশাসকের কী কোনও দায় আছে? যার উত্তরে সাস্মিতার জবাব, “নিশ্চয়ই আছে৷”

শুনানি শেষে এজলাস থেকে বেরনোর সময় তিনি আরও বলেন, “একটা নথিভুক্ত চাইল্ড কেয়ার ইউনিটে কেয়ারের জন্য শিশু পাঠান কি অন্যায়? আমি কোনও ভুল করিনি৷ আমায় অন্যায় ভাবে কোনও ভিত্তি ছাড়াই এর মধ্যে রাখা হয়েছে৷ যে সব তথ্য পেয়েছি, তা এক সপ্তাহের মধ্যে আমার আধিকারিকদের জানিয়েছি৷”

Advertisement

সরকার পক্ষের আইনজীবী প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় এ দিন এজলাসে বলেন, ‘‘সাস্মিতা তাঁর পদমর্যাদার অপব্যবহার করেছেন৷ চক্রান্তে ছিলেন তাঁর স্বামী মৃণাল ঘোষও৷ চন্দনাকে এই দম্পতি যাবতীয় অনিয়মে সাহায্য করেছে আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে৷ পাচারচক্রের সঙ্গে এঁরা সরাসরি জড়িত৷ এবং তাঁকে পুলিশ হেফাজত দিলে কোথায় কোন শিশু পাচার হয়েছে তা উদ্ধার হতে পারে৷ কারণ এ ব্যাপারে তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করবে বলে সাস্মিতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷’’ সিআইডি-র তরফে এদিন সাস্মিতাকে চোদ্দো দিনের হেফাজতের আবেদন করা হয়।

সাস্মিতার আইনজীবী অলোকেশ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সঠিক তদন্ত হলেই কার ভুলে এটা হয়েছে, সেটা বেরিয়ে যাবে৷’’ তাঁর দাবি, সিআইডি তাঁকে যে তিন দিন ডেকেছিল, সেই তিন দিনই তিনি সিআইডির কাছে হাজির হয়েছিলেন৷ ফলে তাঁর পালানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না৷ তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক৷ ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট হিমানীল ভট্টাচার্য তাঁকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন৷

এ দিন জলপাইগুড়ি আদালতে গোপন জবানবন্দি দেন দার্জিলিং সিডব্লুউসি-র দুই সদস্য তাপস কর্মকার ও শেফালী গোস্বামী৷



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement