Advertisement
E-Paper

University of Gour Banga: কে ‘নিয়োগ করাচ্ছে’, চর্চা গৌড়বঙ্গে

। বুধবার মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে বেনিয়ম নিয়ে উপাচার্যকে প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিজিৎ সাহা 

শেষ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২১ ০৬:৫৮
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

কখনও চিঠি জেলা প্রশাসনের, কখনও আবার চিঠি দেয় খোদ উচ্চ শিক্ষা দফতর। তার পরেও শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বুধবার মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে বেনিয়ম নিয়ে উপাচার্যকে প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, কেউ একজন ‘নিয়োগ করাচ্ছে’ বলে বৈঠকে উপাচার্যকে জানান তিনি। কেউ একজনটা কে, এই প্রশ্নেই সরগরম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহল। মুখ্যমন্ত্রী কি সর্ষের মধ্যেই ভূতের ইঙ্গিত দিলেন, নাকি বাইরের কারও কথা বলছেন, উত্তর খুঁজছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তারা।

দুর্নীতির অভিযোগে একাধিকবার খবরের শিরোনামে এসেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে ঘুরপথে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রীও, দাবি কর্তৃপক্ষের একাংশের। ২০১৮ সালের পরে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে শিক্ষক পদে নিয়োগ হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নিয়োগ স্থগিত রাখার জন্য দু’বার চিঠি দেয় উচ্চ শিক্ষা দফতর। এমনকি, জেলা প্রশাসনের তরফেও চিঠি দিয়ে আপাতত নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরেও ফিজিওলজি, অঙ্ক, সাংবাদিকতা, ফুড ও নিউট্রেশন, ভূগোল, অর্থনীতি বিভাগে নিয়োগ হয়, দাবি কর্তৃপক্ষের। তাঁদের দাবি, মোট ১১ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। এর মধ্যে ত্রিপুরা এবং মুর্শিদাবাদের এক শিক্ষক ডামাডোল পরিস্থিতি দেখে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যান। বাকি ন’জনের মধ্যে তিন জন রয়েছেন অভ্যন্তরীণ শিক্ষক হিসাবে।

কেন নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় উচ্চ শিক্ষা দফতর? কর্তৃপক্ষের একাংশ জানিয়েছেন, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনের দু’দিন পর থেকেই শুরু হয়ে যায় ইন্টারভিউ। অভিযোগ, তফসিলিদের জন্য আসন সংরক্ষিত থাকলেও নিয়োগ করা হয় সাধারণ ক্যাটাগরির শিক্ষককে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ শিক্ষা দফতর। মুখ্যমন্ত্রী কি সেই নিয়োগ নিয়েই কোনও একজনের কথা বলেছেন, উঠছে প্রশ্ন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের মালদহের পর্যবেক্ষক থাকার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় ছিলেন মেদিনীপুরের কিছু শিক্ষক। এ বারের নিয়োগের সময়ও শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ কিছু শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের পদে ছিলেন। এ ছাড়া বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষক।” মুখ্যমন্ত্রী কি সেই দিকেই ইঙ্গিত করেছেন, চর্চা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই। বিজেপির জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় যে দুর্নীতির আখড়া, আমরা আগেও বলেছি। মুখ্যমন্ত্রী নিরপেক্ষ তদন্ত করালে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।” উপাচার্য শান্তি ছেত্রী বলেন, “নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় উচ্চ শিক্ষা দফতরে পাঠানো হবে।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy