Advertisement
E-Paper

জেনকিন্সে ক্লাস বন্ধ পরপর দু’দিন

শিক্ষক বদলি নিয়ে কেন কোচবিহারের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ স্কুলে এমন সমস্যা তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০৫:৩৯
জেনকিন্স স্কুলের সামনে পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার। নিজস্ব চিত্র

জেনকিন্স স্কুলের সামনে পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার। নিজস্ব চিত্র

শিক্ষকের বদলির বিরোধিতা করে মঙ্গলবারও স্কুলের ফটক আটকে রেখে বিক্ষোভে সামিল হলেন জেনকিন্সের পড়ুয়ারা। সোমবার গরমের ছুটির পরে স্কুল খোলার পরই শঙ্কর দত্ত নামে ওই শিক্ষকের বদলির প্রতিবাদ করে আন্দোলন শুরু হয়। সে দিন কোনও ক্লাস হতে পারেনি। এ দিনও সকাল ১০টা নাগাদ কোচবিহার জেনকিন্স হাইস্কুলের পড়ুয়ারা আন্দোলনে সামিল হয়। যোগ দেন প্রাক্তন ছাত্রদের কয়েকজনও। স্কুলের সামনের পাকা সড়ক অবরোধ করেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। শিক্ষকরা স্কুলে ঢুকতে না পেরে গাছতলায় বসে থাকেন। এ দিনও স্কুলে পঠনপাঠন হয়নি।

শিক্ষক বদলি নিয়ে কেন কোচবিহারের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ স্কুলে এমন সমস্যা তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা। তাঁরা সমস্যা সমাধান করে দ্রুত পঠনপাঠন শুরুর আবেদন জানিয়েছেন। অভিভাবকদের অনেকে জানিয়েছেন, পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্ররাও প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে। এর পরিবর্তন দরকার।

স্কুল সূত্রের খবর, ইংরেজির শিক্ষক শঙ্করবাবুকে পুরুলিয়া জেলা স্কুলে বদলি করা হয়েছে। ছুটির কারণে এতদিন তা কার্যকর হয়নি। স্কুল শুরু হলেই প্রধানশিক্ষককে তা কার্যকর করতে হবে। অভিযোগ, সে জন্যেই স্কুলের গেট আটকে আন্দোলন শুরু করেছেন পড়ুয়ারা। কোচবিহারের জেলাশাসক কৌশিক সাহা ওই স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি। তিনি বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা বলেছেন। কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক জ্যোতির্ময় তাঁতি বলেন, “স্কুলের ঐতিহ্য ও পঠনপাঠনের বিষয় মাথায় রেখেই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ হচ্ছে। পঠনপাঠন চালুর জন্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছি।” জেনকিন্স হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষক রিয়াজ আহমেদ বলেন, “আমরা ছাত্রদের কাছেও এই ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।”

স্কুল সূত্রেই জানা গিয়েছে, ২৯ বছর ধরে জেনকিন্স হাইস্কুলেই শিক্ষকতা করছেন শঙ্করবাবু। তবে নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি স্কুলের শিক্ষককে বদলি করা যায়। শঙ্করবাবুকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তিনি অবশ্য আগেই জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে তাঁকে বদলি করা হলে তিনি পারিবারিক সমস্যায় পড়বেন। তা তিনি শিক্ষা দফতরে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দাবি, অনৈতিক ভাবে ছাত্র ভর্তির প্রতিবাদ করাতেই শঙ্করবাবুকে বদলি করা হয়েছে। রিয়াজ বলেন, “একজন শিক্ষক চলে গেলে সমস্যা হবে, এ কথা অস্বীকারের কিছু নেই। তবে ছাত্র ভর্তি নিয়ে অভিযোগ ঠিক নয়।”

Education Jenkins School
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy