Advertisement
E-Paper

রিপোর্ট জমে,বাড়ছে সংখ্যা

রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত জানান, শুক্রবার মালদহ মেডিক্যালে পড়ে থাকা ওই নমুনার মধ্যে থেকে ৯০০টি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল।

অনুপরতন মোহান্ত

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২০ ০৬:০৭
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

হরিয়ানা থেকে ৩১ জন শ্রমিক ১৯ মার্চ দক্ষিণ দিনাজপুরে ফেরেন। তাঁদের মধ্যে সন্দেহজনক ৮ জনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে ফেসিলেটেড কোয়রান্টিন কেন্দ্রে রাখা হয়। বাকিদের হোম কোয়রান্টিনে। ২০ মার্চ গুজরাত ও দিল্লি ফেরত ১৩৬ জন শ্রমিকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে হোম কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছিল। এদের মধ্যে ৩৪ জনের লালারসের নুমনা সংগ্রহ করে মালদহের মেডিক্যালে পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়। কিন্তু এ যাবত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি বলে অভিযোগ।

রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত জানান, শুক্রবার মালদহ মেডিক্যালে পড়ে থাকা ওই নমুনার মধ্যে থেকে ৯০০টি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। শনিবার রাতে ওই রিপোর্ট আসতে একসঙ্গে জেলায় ৯ জনের করোনা পজ়িটিভ ধরা পড়েছে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, রোজ ভিন্ রাজ্য থেকে শতাধিক শ্রমিক জেলায় ফিরছেন। রোগের লক্ষণ দেখে অনেকের লালারসের নমুনা নিয়ে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রায় ১২ দিন কেটে গেলেও মালদহ মেডিক্যাল থেকে রিপোর্ট মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ১৯ মে থেকে এখনও অবধি নমুনা পরীক্ষার বকেয়া রিপোর্ট পড়ে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার। এঁদের অধিকাংশই তপন, বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর ও কুমারগঞ্জ ব্লকের বাসিন্দা।

ফলে বকেয়া পড়ে থাকা প্রায় দেড় হাজারের উপর রিপোর্টের মধ্য আর কত জনের করোনা লুকিয়ে রয়েছে, তা আঁচ করে আশঙ্কা বাড়ছে। কেননা রিপোর্ট আসতে যত দেরি হবে, গণ সংক্রমণের সম্ভাবনাও বাড়বে বলে খোদ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের একাংশই মনে করছেন।

জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লি, গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশ—এই পাঁচটি রাজ্যের হটস্পট জ়োন থেকে ওই আড়াই হাজার শ্রমিক জেলায় ফেরেন। তাঁদের অধিকাংশ হোম কোয়রান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে ঘোরাফেরা করছেন। হাট বাজারে যাচ্ছেন—তা ইতিমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানতে পেরেছে। কেননা ইতিমধ্যে কুশমণ্ডি, গঙ্গারামপুর, তপন ও কুমারগঞ্জ ব্লকে ৫ জনের করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট আসার পরে আক্রান্তদের বাড়ি থেকে পরিবারের সদস্য ও পরিচিত জনদের কোয়রান্টিন কেন্দ্রে আনতে স্বাস্থ্যকর্মীদের রীতি মতো হিমশিম খেতে হয়েছিল।

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy