Advertisement
E-Paper

টোম্যাটোর ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছে লঙ্কা, খুশি চাষিরা

এই মরসুমেই টোম্যাটো চাষ করে প্রচুর ক্ষতি সামলাতে হয়েছে হলদিবাড়ির চাষিদের। এবার সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছে লঙ্কা। এমনটাই জানালেন পেশায় কৃষক হলদিবাড়ির হুদুমডাঙ্গার বাসিন্দা আফতাব মহম্মদ, পারমেখলিগঞ্জের চাষি মঞ্চারূল হকরা। তাঁরা দু’জনেই বলেন, ‘‘এখন লঙ্কার যা দাম পাচ্ছি তাতে টোম্যাটো চাষের ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। কিন্তু বাজার পড়লেই সমস্যা হবে।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৩২
নষ্ট টোম্যাটো ও লঙ্কা বাছাই হলদিবাড়ি বাজারে। নিজস্ব চিত্র।

নষ্ট টোম্যাটো ও লঙ্কা বাছাই হলদিবাড়ি বাজারে। নিজস্ব চিত্র।

এই মরসুমেই টোম্যাটো চাষ করে প্রচুর ক্ষতি সামলাতে হয়েছে হলদিবাড়ির চাষিদের। এবার সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছে লঙ্কা। এমনটাই জানালেন পেশায় কৃষক হলদিবাড়ির হুদুমডাঙ্গার বাসিন্দা আফতাব মহম্মদ, পারমেখলিগঞ্জের চাষি মঞ্চারূল হকরা। তাঁরা দু’জনেই বলেন, ‘‘এখন লঙ্কার যা দাম পাচ্ছি তাতে টোম্যাটো চাষের ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। কিন্তু বাজার পড়লেই সমস্যা হবে।”

মঙ্গলবার হলদিবাড়ি বাজারে টোম্যোটো বিক্রি হয়েছে প্রতি কিলোগ্রাম ২ টাকা দরে। একই দিনে আকাশি লঙ্কা বিক্রি হয়েছে ১৮ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম দরে। সুপার ও বুলেট লঙ্কার দাম উঠেছিল ২১ টাকা ২৫ পয়সা প্রতি কিলোগ্রাম। এই মরসুমে ভারতের সব জায়গায় টোম্যাটো একই সঙ্গে চাষ হওয়ায় দাম পড়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রতি বছরই দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতে হলদিবাড়ির টোম্যাটোর ভাল চাহিদা থাকে। কিন্তু এই বছরে উত্তরাখণ্ডের টোম্যাটো সেই বাজার দখল করে নেওয়ায় দাম পায়নি হলদিবাড়ির টোম্যাটো। কিন্তু লঙ্কার ক্ষেত্রে ছবিটা একদমই উল্টো। উত্তর ভারতে লঙ্কা শীতকালীন সব্জি। গরম পরে যাওয়াতে উঠছে না লঙ্কা। ফলে অন্য জায়গা থেকে যোগান না থাকায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে হলদিবাড়ির লঙ্কার দাম। হলদিবাড়ির পাইকারি বাজার ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি এবং সমগ্র উত্তর ভারতে আকাশি লঙ্কা যায়। হলদিবাড়ি থেকে প্রতিদিন ৩৭৫ টন সুপার লঙ্কাও উত্তরভারতে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সুপার এবং বুলেট লঙ্কার চাহিদা কলকাতা সমেত সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে বেশি। প্রতিদিন ৯০ টন লঙ্কা কলকাতায় যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

লঙ্কার বাজার যে পড়বে না সে বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন হলদিবাড়ি পাইকারি সব্জি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দিগ্বিজয় সরকার। তিনি বলেন, “উত্তর ভারতে এখন গরম বাড়বে। ফলে হলদিবাড়ির লঙ্কার চাহিদা বাড়তে থাকবে। দাম পড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।” এবছর হলদিবাড়িতে ১০ মার্চ থেকে পাইকারি বাজারে লঙ্কা আসা আরম্ভ হয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত লঙ্কা বাজারে আসবে। কোচবিহার জেলা উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিবাড়িতে এই বছর ২৫০০ হেক্টর জমিতে লঙ্কার চাষ হয়েছে। জেলার উদ্যানপালন অধিকর্তা খুরশিদ আলম বলেন, “এবছর আবহাওয়া ভাল ছিল। তাছাড়া রোগপোকার আক্রমণ কম থাকায় হলদিবাড়িতে লঙ্কার ফলন ভাল হয়েছে।”

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy