প্রথম দফার ভোট শেষে বৃহস্পতিবার রাতে রিজার্ভে থাকা ভোটকর্মীদের কম টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরে। মালদহে রিজার্ভে থাকা অনেক ভোটকর্মী আবার টাকাই পাননি বলে অভিযোগ। উত্তর দিনাজপুরে এমন অভিযোগ না উঠলেও রাতে ভোটকর্মীরা রায়গঞ্জ ও ইসলামপুরের ডিসিআরসিতে পৌঁছনোর পরে নানা ব্লকে ও শহরে ফেরার গাড়ি পেতে হয়রানির মুখে পড়েন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর কলেজের ডিসিআরসিতে রিজার্ভে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার, ফার্স্ট, সেকেন্ড ও থার্ড পোলিং ভোটকর্মীদের একাংশকে টিফিন খরচের টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি করা হয়। বালুরঘাট ডিসিআরসিতেও এই রকম অভিযোগ ওঠে। দু’টি জায়গাতেই ভোটকর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। পরে, জেলা নির্বাচন দফতর পর্যাপ্ত টাকা দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। জেলা নির্বাচন দফতরের পিপি সেলের আধিকারিক বাণীব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, রিজার্ভে থাকা ভোটকর্মীদের প্রাপ্য টাকা দেওয়া হয়। সমস্যা হয়নি। কুমারগঞ্জ, তপন, গঙ্গারামপুর হরিরামপুর ও কুশমণ্ডি বিধানসভার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে বুথ ফেরত একাধিক ভোটকর্মী ইভিএম ও অন্য নথি জমা দিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে বুনিয়াদপুর কলেজের ডিসিআরসিতে বিক্ষোভ দেখান ভোটকর্মীরা। মালদহেও রিজার্ভ ভোটকর্মীর একাংশ টাকা পাননি। যে সমস্ত রিজার্ভে থাকা ভোটকর্মীদের বুথে পাঠানো হয়েছিল তাদের একাংশও টাকা পাননি। সেক্টর অফিসার ও সহকারী সেক্টর অফিসারদের একাংশ মাসখানেক ধরে ভোটের নানা কাজে যুক্ত থাকলেও তাঁদের অনেকেই এখনও টাকা পাননি।
উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ এবং ইসলামপুরের ডিসিআরসিতে ফিরে ভোট কর্মীরা ইভিএম, নথি ও ভোটের নানা সামগ্রী জমা দেওয়ার পরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে জেলার নানা ব্লক ও শহরে যাওয়ার গাড়ি পাননি বলে অভিযোগ ওঠে। জেলা নির্বাচন দফতরের এক আধিকারিক এই দিন বলেন, “আমাদের কাছে এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ নেই। ভোটকর্মীরা তাঁদের বরাদ্দ নির্দিষ্ট বাস বা ছোট গাড়িতে গন্তব্যে ফিরে গিয়েছেন।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)