Advertisement
E-Paper

ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক

অধ্যক্ষের ইস্তফাপত্র পেয়েছেন বলে অবশেষে জানালেন মালদহ কলেজের পরিচালন কমিটির সভাপতি রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। এখন এই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হবে কিনা তা ঠিক করতে পরিচালন কমিটির বৈঠক ডাকার তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৪৯

অধ্যক্ষের ইস্তফাপত্র পেয়েছেন বলে অবশেষে জানালেন মালদহ কলেজের পরিচালন কমিটির সভাপতি রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। এখন এই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হবে কিনা তা ঠিক করতে পরিচালন কমিটির বৈঠক ডাকার তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

শনিবার কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, ‘‘আমি অধ্যক্ষের ইস্তফাপত্রটি পেয়েছি। এরপর বিধি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’’

কলেজের পরিচালন কমিটির সদস্যদের একাংশ জানিয়েছেন, বিধি অনুযায়ী ইস্তফাপত্র পাওয়ার পর পরিচালন কমিটির বৈঠক ডাকতে হয়।

সেই বৈঠকে সংখ্যাগরিষ্ঠরা যে সিদ্ধান্ত নেন সেটাই গৃহীত হয়। অধ্যক্ষের ইস্তফা নিয়ে বৈঠক হলে তাঁর মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হয়। যদিও নিজের ইস্তফার বিষয়েও এখনও অনড় রয়েছেন মালদহ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কালাম মহম্মদ আনুয়ারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘‘আমি কোনও মতেই এই পদে থাকতে চাই না। সভাপতি ইস্তফাপত্র পেয়েছেন। খুবই ভালো বিষয়। এখন বিধিবদ্ধ পদ্ধতিতে ইস্তফাপত্র গ্রহণ করে আমাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক।’’

৬ জানুয়ারি বুধবার কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি কৃষ্ণেন্দুবাবুকে পিওন মারফৎ ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মেল করে ইস্তফাপত্র পাঠান অধ্যক্ষ আব্দুল কালাম মহম্মদ আনুয়ারুজ্জামান।

পাঁচ মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তিনি ইস্তফাপত্র পাঠানোয় জেলা জুড়ে হইচই পড়ে যায়। গত বছরের ১০ জুলাই টিএমসিপি পরিচালিত ছাত্র সংসদের চাপে পরে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অধ্যক্ষ। এবারও তাঁর ইস্তফা দেওয়া নিয়ে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দিকেই অভিযোগের আঙুল ওঠে। সেই সঙ্গে অধ্যক্ষকে চাপ দেওয়ার পেছনে জেলার প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা।

গত বারের মতো এবারও কী কারণে তিনি ইস্তফা দিতে চান সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি অধ্যক্ষ। বরং চিঠিতে ব্যক্তিগত কারণেরই উল্লেখ করেছেন। প্রথম বার ইস্তফা রুখতে তৎপর হলেও এ বার বিষয়টি অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন পার্থবাবু। শিক্ষামন্ত্রীর এমন অবস্থানের পরেই তৎপর হয় পরিচালন কমিটি। পরিচালন কমিটির এক সদস্য জানান, বৈঠকে অধ্যক্ষকে ইস্তফা পত্র প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানানো হতে পারে। তিনি যদি নিজের অবস্থানেই অনড় থাকেন, তা হলে গ্রহণ করা হতে পারে তাঁর
ইস্তফা পত্র।

এ দিনও নির্ধারিত সময়েই কলেজেই আসেন অধ্যক্ষ আব্দুল কালাম মহম্মদ আনুয়ারুজ্জামান। নিয়ম মাফিক কাজও করেন। এদিন শনিবার থাকায় বেলা তিনটের পর কলেজ ছাড়েন অধ্যক্ষ।

খুঁটি ভেঙে আহত। রেল লাইন সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের তার সংযোগের কাজ করার সময় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে আহত হয়েছেন ৫ জন। শনিবার দুপুরে ডালখোলার সূর্যাপুরের ঘটনা। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের তরফে বিদ্যুতের তার সংযোগের কাজ করছিলেন ঠিকা শ্রমিকরা। সে সময় উচ্চ শক্তিসম্পন্ন বিদ্যুতের তারের জন্য ব্যবহৃত খুঁটিটি ভেঙে পড়ে। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। রেলের বিদ্যুদয়নের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরা বিদ্যুতের তার উঁচু করার কাজ করছিলেন। এ দিন সংশ্লিষ্ট দফতরটির উত্তর দিনাজপুরের এরিয়া ম্যানেজার সিরাজুল হক জানান, কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় প্রায় ৩০ মিনিট ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy