Advertisement
E-Paper

কলেজ বাড়ানোর দাবি মন্ত্রীর

আরও একটি মহিলা কলেজ-সহ মালদহ জেলায় বেশ কয়েকটি কলেজের প্রয়োজন। একই সঙ্গে অধিকাংশ কলেজেই শূন্যপদ রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ অগস্ট ২০১৫ ০২:১৫

আরও একটি মহিলা কলেজ-সহ মালদহ জেলায় বেশ কয়েকটি কলেজের প্রয়োজন। একই সঙ্গে অধিকাংশ কলেজেই শূন্যপদ রয়েছে। শনিবার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলাতে আরও কলেজ ও শূন্যপদ পূরণের দাবি তুললেন রাজ্যের উদ্যান পালন ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী।

কর্মশালায় উপস্থিত রাজ্য কলেজ সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে সমস্যা মেটানোর আবেদন করেছেন। মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, ‘‘জেলাতে একটি মাত্র মহিলা কলেজ রয়েছে। এ ছাড়া দু’তিনটি ব্লকে এখনও কলেজ না থাকায় পড়ুয়াদের সমস্যা হচ্ছে।’’ জেলার অধিকাংশ কলেজেই অধ্যক্ষ, অধ্যাপকদের পদ শূন্য রয়েছে। তাই কলেজ সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে আমার আবেদন সমস্যাগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।

এ দিন দুপুর ১২টা থেকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে তিন জেলার সমস্ত সাধারণ কলেজ এবং বিএড কলেজের অধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের নিয়ে ন্যাক সম্পর্কে সচেতন করতে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় কৃষ্ণেন্দুবাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কলেজ সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দীপককুমার কর, ন্যাকের সহকারী পরামর্শদাতা গণেশ হেগড়ে, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপালচন্দ্র মিশ্র-সহ কলেজগুলির অধ্যক্ষ, অধ্যপকেরা।

এ দিনের এই কর্মশালায় সমস্ত কলেজকে ন্যাকের মুল্যায়ণের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহকারী পরামর্শদাতা গণেশ হেগড়ে। তিনি বলেন, ‘‘পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য ন্যাক অর্থ না দিলেও অর্থ পেতে সাহায্য করে। ন্যাকের গ্রেড অনুযায়ী ইউজিসি, পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে। তাই সমস্ত কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন যাতে আবেদন করা হয়।’’ ন্যাক সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু মাত্র গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, রাজ্যে ৫০১টি কলেজের মধ্যে ১০২টি কলেজ ন্যাকের অনুমোদন পেয়েছে। এই সংখ্যাটি আরও বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন ন্যাকের সহকারী পরামর্শদাতা।

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলির মধ্যে মালদহে পাঁচটি, উত্তর দিনাজপুরে দু’টি এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে তিনটি কলেজে স্থায়ী অধ্যক্ষ রয়েছে। আর বাকি কলেজগুলি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষরা চালাচ্ছেন। এই কলেজেগুলিতে অধ্যক্ষের জন্য আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে আবেদন করতে নির্দেশ দেন দীপকবাবু। একই সঙ্গে কলেজেগুলির স্থায়ী অধ্যাপকদের শূন্যপদের তালিকা তৈরি করেও পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘সমস্ত কলেজে স্থায়ী অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হবে। শূন্যপদও পূরণ করা হবে। এর জন্য আমরা প্রতি বছর কলেজ সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করছি। যাতে করে কলেজগুলিতে শূন্যপদ না থাকে। পঠন পাঠনের মানেরও উন্নতি হয়।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy