তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ৪ জন জখম হয়েছেন। শুক্রবার মাথাভাঙা কলেজ ও সংলগ্ন এলাকায় ওই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, ওই কলেজের ছাত্র সংসদ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে রয়েছে। সংসদের কর্তৃত্ব কায়েম নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সংগঠনের কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক নয়নজ্যোতি সাহা এবং মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি কামাল হোসেনের অনুগামীদের মধ্যে গণ্ডগোল চলছে। কামাল হোসেনের অভিযোগ, ‘‘এদিন কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ার শেষ দিন ছিল। সেখানে নয়নজ্যোতিবাবুর নেতৃত্বে অনৈতিক প্রক্রিয়ায় ভর্তির দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের অন্য সদস্যরা প্রতিবাদ করলে তাঁরা চড়াও হন। পরে কলেজের বাইরে দু’জনকে মারধর করা হয়।’’ তিনি বলেন, “বহিরাগত দুষ্কৃতীরা নয়নবাবুর নেতৃত্বে কলেজের ছাত্রদের উপরে হামলা করেছে।” নয়নবাবুর পাল্টা অভিযোগ, কলেজে দাদাগিরি কায়েম রাখতে কামাল হোসেনের লোকজন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীদের উপরে চড়াও হয়ে মারধর করে। তিনি বলেন, “কামাল হোসেনের সঙ্গে কলেজের কোনও সম্পর্ক নেই। তবু তিনি গণ্ডগোল তৈরি করছেন।” পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।