মাটিগাড়া-বাগডোগরা এলাকাকে পুরসভা করার দাবি তুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
শুক্রবার শিলিগুড়ির বাগডোগরায় চিত্তরঞ্জন হাইস্কুল ময়দানে কংগ্রেসের এক জনসভায় পুরোনো এই দাবি ফের তুললেন তিনি। এই এলাকাকে আলাদা পুরসভা করা যেতে পারে কিংবা শিলিগুড়ি পুরসভার অন্তর্ভুক্ত করলেও তাতে ক্ষতি হবে না বলে মনে করেন তিনি। এমনকী এতদিনে তা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল বলে জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, ‘‘এই এলাকার মানুষ কংগ্রেসকে ভোট দেয় বলে একদিনে এই এলাকা পুরসভা হয়নি। না হলে গুরুত্ব অনুযায়ী পুরসভা অনেকদিন আগেই হয়ে যাওয়ার কথা।’’
অধীরবাবুর দাবি, এই এলাকায় স্থল ও বিমান বাহিনীর তিনটি ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে। এমনকী বিমানবন্দরও এই এলাকায়। এমনিই এলাকাটি পুর এলাকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়ার কথা বলে জানান তিনি। এমনকী তাঁর দাবিকে সমর্থন করে একই দাবিতে সরব হন শঙ্কর মালাকারও। তিনি বলেন, ‘‘এই এলাকায় শহরের সবচেয়ে বড় শপিং মল রয়েছে। এখানে যাবতীয় অত্যাধুনিক আবাসন প্রকল্প হচ্ছে। তা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে এলাকাটি পঞ্চায়েত করে ফেলে রাখা হয়েছে।’’ যদিও শিলিগুড়ির মেয়র বলেন, ‘‘আমরা আঠারোখাইকে পুরসভা করার সিদ্ধান্ত পাশ করিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু তারপরে আমরা ক্ষমতাচ্যুত হই। তৃণমূল এসে কোনও কাজ করেনি। এমনকী নকশালবাড়িকেও আলাদা পুরসভা করে বাগডোগরাকে তার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছিলাম।’’ তৃণমূলের কোনও সত্যিকারের উন্নয়নের পরিকল্পনা নেই বলে তিনি দাবি করেন। যদিও তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, তৃণমূল সরকার নিজেদের উন্নয়নের কাজে সফল। কে কী বলল তাতে গুরুত্ব দিতে চাননি তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সাফল্য উদযাপন করতে প্রগতি যাত্রা করছি। মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে। কিছু কাজ বাকি আছে। সেগুলিও আমরা করব।’’