Advertisement
E-Paper

মেডিক্যালের গোলমাল স্রেফ ‘ভুল বোঝাবুঝি’

পাঁচ দিন আগে যে অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের স্বাভাবিক পরিষেবা চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তাকে নেহাতই ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করলেন কর্তৃপক্ষ। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তেমনই দাবি করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:৪৫

পাঁচ দিন আগে যে অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের স্বাভাবিক পরিষেবা চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তাকে নেহাতই ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করলেন কর্তৃপক্ষ। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তেমনই দাবি করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে।

২৭ নভেম্বর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক কর্তব্যরত নার্সকে নিগ্রহ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। নার্সদের সংগঠনের তরফে তুমুল বিক্ষোভ হয়। চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে রোগীদের বিনা চিকিৎসায় থাকতে হয় বলে অভিযোগ। পাল্টা অভিযোগ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও। সবটা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে। তবে তদন্ত কমিটির কাছে দেওয়া বয়ানে শ্লীলতাহানির উল্লেখ নেই বলে দাবি করা হয়েছে। নেহাতই ঘটনাচক্রে জুনিয়র ডাক্তারের হাত লেগে একটি ‘কিডনি ট্রে’ নার্সের গায়ে লেগেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

বুধবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার নির্মল বেরা দাবি করেন, ‘‘রিপোর্ট জমা পড়েছে। দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনাতেই সমস্যা মিটে যাবে বলে আশা করছি। যে কোনও ভুল বোঝাবুঝি আলোচনাতেই মিটে যায়।’’ তদন্ত কমিটিতে কারও বিরুদ্ধে পদক্ষেপ বা শাস্তির সুপারিশও করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

তবে রিপোর্ট বেশ কিছু প্রশ্নও তুলে দিয়েছে। ঘটনাটি তেমন গুরুতর না হলে কেন চার ঘণ্টারও বেশি মেডিক্যাল কলেজ অচল করে রাখা হল? কারও চাপে বয়ান বদলানো হয়েছে কি না সে প্রশ্নও উঠছে।প্রসূতি বিভাগের নার্স ইনচার্জ জয়িতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘আমাদের এখনও তদন্ত রিপোর্ট দেখানো হয়নি। তবে এতটুকু বলতে পারি, কেউ বয়ান বদলায়নি।’’

তবে যে অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তদন্ত কমিটির সামনে বয়ানে তা অনেকটাই লঘু ভাবে পেশ করা হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। তৃণমূল প্রভাবিত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠনের সম্পাদক অভীক দে’র দাবি, ‘‘তদন্ত রিপোর্ট আমরা হাতে পাইনি। তবে ঘটনার দিনই জানিয়েছিলাম, শুধু তর্কাতর্কি ছাড়া কিছুই ঘটেনি।’’ ওই দিন তৃণমূল প্রভাবিত কর্মী সংগঠনের তরফে সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভ হয়। তার জেরে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিষেবা ভেঙে পড়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তদন্ত রিপোর্টে জমা পড়ার পরে প্রশ্ন উঠেছে, অভিযোগ ওঠার পরে কিছু খতিয়ে না দেখেই কাজকর্ম অচল করে কেন আন্দোলন হল? তৃণমূল প্রভাবিত সরকারি কর্মচারী সংগঠনের মেডিক্যাল কলেজের ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশান্ত সরকারের দাবি, ‘‘অভিযোগ শুনে আমাদের যথেষ্ট গুরুতর মনে হওয়াতেই আন্দোলন করেছিলাম।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy