Advertisement
E-Paper

সিবিআই চেয়ে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

হোমে কুকীর্তির ঘটনায় অভিযুক্ত ফেরার দিলীপ মহন্তের গাড়ির দুই চালক সুব্রত বিশ্বাস এবং বরুণ দত্তের শুক্রবার বালুরঘাট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নথিভুক্ত করা হল। গত ৩ অগস্ট হোমের কর্ণধার দিলীপের বিরুদ্ধে কিশোরীদের উপর যৌন নিগ্রহের অভিযোগ সামনে আসার পর ১১ দিন কেটে গেলেও কেন দিলীপ ধরা পড়ছে না, তা নিয়ে সরব হয়েছেন হোমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার ভক্তি সরকার লাহা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০১৫ ০২:০৬

হোমে কুকীর্তির ঘটনায় অভিযুক্ত ফেরার দিলীপ মহন্তের গাড়ির দুই চালক সুব্রত বিশ্বাস এবং বরুণ দত্তের শুক্রবার বালুরঘাট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নথিভুক্ত করা হল। গত ৩ অগস্ট হোমের কর্ণধার দিলীপের বিরুদ্ধে কিশোরীদের উপর যৌন নিগ্রহের অভিযোগ সামনে আসার পর ১১ দিন কেটে গেলেও কেন দিলীপ ধরা পড়ছে না, তা নিয়ে সরব হয়েছেন হোমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার ভক্তি সরকার লাহা। এদিন তিনি সিবিআই তদন্ত চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রেজিস্ট্রি চিঠি পাঠিয়েছেন। ভক্তিদেবী বলেন, সিবিআইয়ের হাতে মামালার দায়িত্ব দিলে অভিযুক্ত দিলীপ ধরা পড়বে। কেননা পুলিশ তাকে ধরবে না বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

এদিন দিলীপের দুই চালককে জেল থেকে বালুরঘাটের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করানো হয়েছিল। অভিযুক্ত দিলীপের নির্দেশে গাড়ি করে তিওড়ের হোম থেকে তারা আবাসিক কিশোরীদের একাধিকবার বালুরঘাটের বাড়িতে পৌঁছে দিতেন বলে ইতিমধ্যে তাঁরা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। আবাসিক কিশোরীদের পাশাপাশি ওই গাড়িতে করে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি দিলীপের বাড়ি যেতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। জেলা পুলিশ সুপার শীশরাম ঝাঝারিয়া বলেন, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে মূল অভিযুক্ত হোম কর্ণধার দিলীপের আগাম জামিনের আবেদন বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া তার কোনও রাস্তা নেই বলে জানা গিয়েছে।

তবে যত দিন যাচ্ছে, দিলীপের কুকীর্তির নানা অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। বাম আমলে হোমের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ। প্রভাব খাটিয়ে সে সময় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। মাস ছয়েক আগে তিওড়ের হোমে এক বালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়েও নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। সে সময় জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার হোমে গিয়ে মেয়ের মৃত্যু সম্পর্কে অভিভাবকদের কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না জানতে চেয়েছিলেন। মৃত বালিকার বাবা কোনও অভিযোগ নেই বলে তাদের জানিয়েছিলেন। আসলে তার আগে ওই পরিবারের মুখ বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই কায়দায় হোমের কয়েকজন দশম শ্রেণীর মেয়েদের নিজের পক্ষে টানতে সক্ষম হয়েছিল দিলীপ। এমন অভিযোগ হোম সুপার ভক্তিদেবীর মুখেও শোনা গিয়েছে।

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy