Advertisement
E-Paper

সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল পার্থর ব্যাগ

রবিবার বিকেলে সামসুদ্দিন এবং মুনসুরকে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান ডোমজুড়ের আইসি সুবীর রায়। সামসুদ্দিনের কথা মতো সেপটিক ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলে পুলিশ। তার ভিতর থেকে পাওয়া যায় পার্থবাবুর ব্যাগ, আইডেন্টিটি কার্ড এবং ব্যাঙ্কের রেজিস্টার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০২:৪৬
দেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলের ছবি। ইনসেটে নিহত পার্থ চক্রবর্তী। —নিজস্ব চিত্র

দেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলের ছবি। ইনসেটে নিহত পার্থ চক্রবর্তী। —নিজস্ব চিত্র

শেখ সামসুদ্দিনের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে উদ্ধার হল পার্থ চক্রবর্তীর ব্যাগ, সচিত্র পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্কের রেজিস্ট্রার এবং রক্তমাখা একটি তোয়ালে। পুলিশের দাবি, তোয়ালেটি সামসুদ্দিনেরই। পার্থবাবুকে খুনের পরে ওই তোয়ালে দিয়েই রক্ত মোছা হয়েছিল। খোঁজ চলছে তাঁর সাইকেলটির।

রবিবার বিকেলে সামসুদ্দিন এবং মুনসুরকে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান ডোমজুড়ের আইসি সুবীর রায়। সামসুদ্দিনের কথা মতো সেপটিক ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলে পুলিশ। তার ভিতর থেকে পাওয়া যায় পার্থবাবুর ব্যাগ, আইডেন্টিটি কার্ড এবং ব্যাঙ্কের রেজিস্টার।

পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে পার্থবাবুকে খুন করে সামসুদ্দিন। রাত দেড়টার সময়ে মুনসুরকে সঙ্গে নিয়ে সে সেপটিক ট্যাঙ্কের ভারি ঢাকনা তুলে তার ভিতরে এইসব জিনিস ফেলে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, পার্থবাবুর সাইকেলটিও খুব শীঘ্রই উদ্ধার করা হবে।

পার্থর দেহ টুকরো টুকরো করে প্যাকেটে মুড়ে রাঘবপুর এবং অঙ্কুরহাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে পুলিশ জেনেছে সামসুদ্দিনের বাবা মুনসুরই দেহটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরতে ছেলেকে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, মুনসুরের পরামর্শেই দেহের দু’টি অংশ দু’জায়গায় ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় সামসুদ্দিন। মুনসুরেরই দায়িত্ব ছিল পার্থবাবুর সাইকেলটিকে লুকিয়ে ফেলার। রবিবার মুনসুরকে হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ৮ দিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। শনিবার আদালত শেখ সামসুদ্দিনকে ১২ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।

Death Banker Murder Bag Septic Tank
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy