Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৫ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

TMC: চিঠি-কাণ্ডের পরে প্রথম সাক্ষাৎ আশিস-অনুব্রতর

তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে দেখে বেরোনোর পরে বিতর্ক থেকে দূরে থাকলেন দলের জেলা চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
বোলপুর ২২ মে ২০২২ ০৬:৩৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
বোলপুরে আশিসবাবু। শনিবার।

বোলপুরে আশিসবাবু। শনিবার।
নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

অবশেষে তাঁদের দেখা হল। কথাও হল। কিন্ত, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে দেখে বেরোনোর পরে বিতর্ক থেকে দূরে থাকলেন দলের জেলা চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, বগটুই-কাণ্ডের রেশ ধরে জেলা তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে যে আপাত ‘মনোমালিন্যের’ সৃষ্টি হয়েছিল, সে প্রসঙ্গ এ দিন সংবাদমাধ্যমের সামনে সচেতন ভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস।

প্রায় দেড় মাস পর শুক্রবার বোলপুরে, নিজের বাড়িতে ফিরেছেন অনুব্রত। তবে, তিনি এখনও অসুস্থ। চিকিৎসকেরা বাড়িতে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। শুক্রবার থেকেই দলের নেতা-কর্মীরা নিচুপট্টির বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। শনিবার অনুব্রতকে দেখতে আসেন রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস। জেলা সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পাশাপাশি তাঁর কুশল-মঙ্গলেরও খোঁজ নেন জেলা চেয়ারম্যান।

প্রসঙ্গত, মাস দেড়েক আগে বগটুই-কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেনকে নিয়ে চাপানউতোর হয়েছিল অনুব্রত এবং আশিসের মধ্যে। সাংবাদিক বৈঠকে একটি চিঠি দেখিয়ে অনুব্রত দাবি করেন, অনেক আগেই তিনি আনারুলকে রামপুরহাট ১ ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে চিঠি দিয়ে আনারুলকে পদে থাকার আর্জি জানিয়েছিলেন বর্ষীয়ান নেতা আশিস। এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে যায় জেলায়। চিঠি তিনিই লিখেছিলেন বলে মেনে নিয়েছিলেন আশিস। যদিও তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি কেবল অনুরোধ করেছিলাম। জেলা সভাপতি চইলে আনারুলকে সরিয়ে দিতেই পারতেন।

Advertisement

এর দু’দিনের মাথায় রামপুরহাট পুর-নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে সেই আনারুলকে রাখা নিয়ে খোদ জেলা সভাপতির সই করা একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসে। চিঠি ও পাল্টা চিঠি এইভাবে প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তি বাড়ে শাসক শিবিরে। তৃণমূল সূত্রের খবর, জেলা সভাপতির সঙ্গে সাময়িক দূরত্বও তৈরি হয় বিধায়ক আশিসের।

এর পরে অনুব্রত অসুস্থ হয়ে পড়ায় দেড় মাস কলকাতায় ছিলেন। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এ দিন আশিস বলেন, ‘‘ওটা (কেন কলকাতায় ছিলেন) তিনিই বলতে পারবেন। জেলা সভাপতির সঙ্গে সঙ্গে কথা হল। তিনি অসুস্থ হয়েছেন, তাই তাঁকে দেখতে আসা।’’ এর পরেই সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে তিনি বোলপুর ছাড়েন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement